আপডেট টাইম :
০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১
৪২৯
বার পঠিত
পাংশার বাহাদুরপুর কাজীপাড়ার কলেজ শিক্ষক কাজী আব্দুল্লাহ অরফে কাজী তারেক দ্বিতীয় বিয়ে করে গোপন রাখায় মঙ্গলবার বিকেলে গণধোলাইয়ের শিকার হন।
পাংশায় দ্বিতীয় বিয়ে করে গোপন রাখায় কলেজ শিক্ষক কাজী তারেককে গণধোলাই
কাজী আব্দুল্লাহ অরফে কাজী তারেক (৫২) নামের এক কলেজ শিক্ষককে দ্বিতীয় বিয়ে করে গোপন রাখায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার (২০) জুলাই বিকেলে তাকে গণধুলাই দিয়েছে। গণধোলাইয়ের শিকার কাজী তারেকের বাড়ি পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউপির কাজীপাড়ায়। সে পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রতিষ্ঠিত ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেন কলেজের প্রদর্শক এবং বাহাদুরপুর কাজীপাড়ায় নতুন প্রতিষ্ঠিত পন্ডিত আবুল হোসেন কলেজের গণিত বিষয়ের শিক্ষক। জানা যায়, প্রথম স্ত্রী থাকার পরও বছরখানেক আগে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এক ছাত্রীকে বিয়ে করে তা গোপন রাখেন তিন সন্তানের জনক কলেজ শিক্ষক তারেক। কলেজ পড়ুয়া ওই ছাত্রীর বাড়ি বাহাদুরপুর ইউপির জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে। মঙ্গলবার বিষয়টি প্রকাশ হলে এলাকার ক্ষুব্ধ লোকজন কাজী তারেককে গণধোলাই দেয়। এ ব্যাপারে কলেজ শিক্ষক কাজী আব্দুল্লাহ অরফে তারেকের ব্যবহৃত ০১৭১৭-০০২১৬০ নং মোবাইলে বারবার যোগাযোগ করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফাজ্জেল হোসেন ও একই কলেজের শরীর চর্চা শিক্ষক মকসেদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে গণধোলাইয়ের ঘটনাটি শুনেছেন বলে তথ্য নিশ্চিত করেন তারা। এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাহাদুরপুর ইউপির একাধিক ব্যক্তিও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
কাজী আব্দুল্লাহ অরফে কাজী তারেক (৫২) নামের এক কলেজ শিক্ষককে দ্বিতীয় বিয়ে করে গোপন রাখায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার (২০) জুলাই বিকেলে তাকে গণধুলাই দিয়েছে। গণধোলাইয়ের শিকার কাজী তারেকের বাড়ি পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউপির কাজীপাড়ায়। সে পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রতিষ্ঠিত ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেন কলেজের প্রদর্শক এবং বাহাদুরপুর কাজীপাড়ায় নতুন প্রতিষ্ঠিত পন্ডিত আবুল হোসেন কলেজের গণিত বিষয়ের শিক্ষক।
জানা যায়, প্রথম স্ত্রী থাকার পরও বছরখানেক আগে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এক ছাত্রীকে বিয়ে করে তা গোপন রাখেন তিন সন্তানের জনক কলেজ শিক্ষক তারেক। কলেজ পড়ুয়া ওই ছাত্রীর বাড়ি বাহাদুরপুর ইউপির জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে। মঙ্গলবার বিষয়টি প্রকাশ হলে এলাকার ক্ষুব্ধ লোকজন কাজী তারেককে গণধোলাই দেয়।
এ ব্যাপারে কলেজ শিক্ষক কাজী আব্দুল্লাহ অরফে তারেকের ব্যবহৃত ০১৭১৭-০০২১৬০ নং মোবাইলে বারবার যোগাযোগ করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফাজ্জেল হোসেন ও একই কলেজের শরীর চর্চা শিক্ষক মকসেদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে গণধোলাইয়ের ঘটনাটি শুনেছেন বলে তথ্য নিশ্চিত করেন তারা।
এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাহাদুরপুর ইউপির একাধিক ব্যক্তিও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।