আপডেট টাইম :
১২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
৩২৮
বার পঠিত
-রাজবাড়ীর পাংশা পৌরসভার গুধিবাড়ী গ্রামে শুক্রবার ইউএনও’র নির্দেশে বাল্য বিয়ে বন্ধ করেন আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শাহেদা খাতুন।
পাংশায় ইউএনও’র নির্দেশে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা
রাজবাড়ী জেলার পাংশা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের গুধিবাড়ী গ্রামে শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে একটি বাল্য বিয়ে বন্ধ করেছেন উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুন। তিনি থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সরেজমিন বাল্য বিয়েটি বন্ধ করেন। জানা যায়, মেয়েটি স্থানীয় গার্লস হাই স্কুলের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী। জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী তার বয়স ১৬বছর ২মাস। কুষ্টিয়ার টাইলস মিস্ত্রি পেশার এক ছেলের সাথে মেয়েটির শুক্রবার বিয়ের দিন ধার্য ছিল। বিয়ে উপলক্ষে কন্যার পিত্রালয়ে তোরণ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাংশার এসিল্যান্ড ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদুর রহমান রুবেল বাল্য বিয়ের তথ্য পেয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাংশা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুনকে নির্দেশনা প্রদান করেন। আরও পড়ুনঃ গোপালগঞ্জে দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পাংশা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুন শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য যাচাই করে নিশ্চিত হলে তিনি বাল্য বিয়েটি বন্ধ করেন। সেখানে কন্যার পরিবার ও উপস্থিত সকলের কাছে আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুন বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা মূলক মতামত ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, পাংশা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুন এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তথ্য দিয়ে একাধিক বাল্য বিয়ে বন্ধ করার...
রাজবাড়ী জেলার পাংশা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের গুধিবাড়ী গ্রামে শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে একটি বাল্য বিয়ে বন্ধ করেছেন উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুন। তিনি থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সরেজমিন বাল্য বিয়েটি বন্ধ করেন।
জানা যায়, মেয়েটি স্থানীয় গার্লস হাই স্কুলের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী। জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী তার বয়স ১৬বছর ২মাস। কুষ্টিয়ার টাইলস মিস্ত্রি পেশার এক ছেলের সাথে মেয়েটির শুক্রবার বিয়ের দিন ধার্য ছিল। বিয়ে উপলক্ষে কন্যার পিত্রালয়ে তোরণ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাংশার এসিল্যান্ড ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদুর রহমান রুবেল বাল্য বিয়ের তথ্য পেয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাংশা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুনকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাংশা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুন শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য যাচাই করে নিশ্চিত হলে তিনি বাল্য বিয়েটি বন্ধ করেন। সেখানে কন্যার পরিবার ও উপস্থিত সকলের কাছে আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুন বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা মূলক মতামত ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, পাংশা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছা. শাহেদা খাতুন এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তথ্য দিয়ে একাধিক বাল্য বিয়ে বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন।