ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল না ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪
  • ২০৩ বার পঠিত

জিম্মি হওয়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল না। সাধারণত একটি জাহাজের তিন ফুট উচ্চতার কাঁটাতারের বেষ্টনী থাকে রেলিং জুড়ে। এর ফলে কেউ জাহাজ বেয়ে উপরে উঠতে পারে না। কিন্তু এই জাহাজে কোনো বেষ্টনী ছিল না। অপরদিকে জলদস্যুতা ঠেকাতে জলকামানের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও এই জাহাজে তা করা হয়নি। এইসব কারণে জাহাজটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

জাহাজে আটক ২৩ নাবিকের মধ্যে একজনের পাঠানো ভিডিওতে দেখা যায়, জলদস্যুরা জাহাজ বেয়ে উপরে উঠে আসছে। আর এই উঠে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিক শিপিং কোম্পানির প্রতিনিধি ও অন্যান্য জাহাজে কর্মরত ক্যাপ্টেনরা প্রশ্ন তুলেন, জাহাজটিতে কাঁটাতারের রেলিং নেই কেন?

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘একটি জাহাজের নিজস্ব কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু এখানে তা আমরা দেখছি না। যদিও ৫০ জন সশস্ত্র দস্যুর সামনে এগুলো কিছু নয় তারপরও প্রাথমিক প্রতিরোধ করা যেতো।’

এই প্রাথমিক প্রতিরোধের বিষয়ে অন্য এক জাহাজের কর্মরত ক্যাপ্টেন জানান, এইসব নিরাপত্তা থাকলে আমরা কিছুটা সময় বিলম্ব করতে পারতাম। এতে জাহাজ চালিয়ে নিরাপদ দূরত্বে হয়তো নিয়ে আসা যেতো। একইসাথে উদ্ধারকারী দলকে অবহিত করা গেলে তারা চলে আসতে পারতো। কিন্তু এখানে তা হয়নি।

 

   আরও পড়ুনঃ হয়তো আর ঘরে ফেরা হবে না বাগাতিপাড়ার জয়ের

 

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ একটি রুট দিয়ে জাহাজ চলাচল করছে কিন্তু সেখানে সশস্ত্র টিম পাহারাদার হিসেবে কেন নেওয়া হয়নি সেটাও কিন্তু একটি প্রশ্ন।’

 

শিপিং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই রুটে প্রত্যেক জাহাজে সশস্ত্র পাহারা দিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি। যেহেতু লোহিত সাগরে হুতিদের আক্রমণ ও এডেন উপসাগরে সোমালিয়া উপকূলের কাছাকাছি সোমালিয়ার জলদস্যুদের আক্রমনের ঝুঁকি রয়েছে তাই অনেকে সশস্ত্র পাহারা টিম নিয়ে থাকে।

 

তবে এই জাহাজে কোনো সশস্ত্র পাহারা ছিল না। গতকাল মঙ্গলবার (১২ মার্চ) এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি ২৩ জন নাবিকসহ জিম্মি করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। জাহাজটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর মুক্তিপণ চেয়েছে জলসদ্যুরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ জাহাজটি সোমালিয়ায় জলদস্যুদের উপকূলে নিয়ে যাবে তারা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীর বাঘায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

error: Content is protected !!

পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল না ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজে

আপডেট টাইম : ০৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪
ডেস্ক রিপোর্ট :

জিম্মি হওয়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল না। সাধারণত একটি জাহাজের তিন ফুট উচ্চতার কাঁটাতারের বেষ্টনী থাকে রেলিং জুড়ে। এর ফলে কেউ জাহাজ বেয়ে উপরে উঠতে পারে না। কিন্তু এই জাহাজে কোনো বেষ্টনী ছিল না। অপরদিকে জলদস্যুতা ঠেকাতে জলকামানের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও এই জাহাজে তা করা হয়নি। এইসব কারণে জাহাজটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

জাহাজে আটক ২৩ নাবিকের মধ্যে একজনের পাঠানো ভিডিওতে দেখা যায়, জলদস্যুরা জাহাজ বেয়ে উপরে উঠে আসছে। আর এই উঠে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিক শিপিং কোম্পানির প্রতিনিধি ও অন্যান্য জাহাজে কর্মরত ক্যাপ্টেনরা প্রশ্ন তুলেন, জাহাজটিতে কাঁটাতারের রেলিং নেই কেন?

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘একটি জাহাজের নিজস্ব কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু এখানে তা আমরা দেখছি না। যদিও ৫০ জন সশস্ত্র দস্যুর সামনে এগুলো কিছু নয় তারপরও প্রাথমিক প্রতিরোধ করা যেতো।’

এই প্রাথমিক প্রতিরোধের বিষয়ে অন্য এক জাহাজের কর্মরত ক্যাপ্টেন জানান, এইসব নিরাপত্তা থাকলে আমরা কিছুটা সময় বিলম্ব করতে পারতাম। এতে জাহাজ চালিয়ে নিরাপদ দূরত্বে হয়তো নিয়ে আসা যেতো। একইসাথে উদ্ধারকারী দলকে অবহিত করা গেলে তারা চলে আসতে পারতো। কিন্তু এখানে তা হয়নি।

 

   আরও পড়ুনঃ হয়তো আর ঘরে ফেরা হবে না বাগাতিপাড়ার জয়ের

 

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ একটি রুট দিয়ে জাহাজ চলাচল করছে কিন্তু সেখানে সশস্ত্র টিম পাহারাদার হিসেবে কেন নেওয়া হয়নি সেটাও কিন্তু একটি প্রশ্ন।’

 

শিপিং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই রুটে প্রত্যেক জাহাজে সশস্ত্র পাহারা দিয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি। যেহেতু লোহিত সাগরে হুতিদের আক্রমণ ও এডেন উপসাগরে সোমালিয়া উপকূলের কাছাকাছি সোমালিয়ার জলদস্যুদের আক্রমনের ঝুঁকি রয়েছে তাই অনেকে সশস্ত্র পাহারা টিম নিয়ে থাকে।

 

তবে এই জাহাজে কোনো সশস্ত্র পাহারা ছিল না। গতকাল মঙ্গলবার (১২ মার্চ) এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি ২৩ জন নাবিকসহ জিম্মি করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। জাহাজটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর মুক্তিপণ চেয়েছে জলসদ্যুরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ জাহাজটি সোমালিয়ায় জলদস্যুদের উপকূলে নিয়ে যাবে তারা।