ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

নিষিদ্ধ হলেও ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৬তম

প্রযুক্তি ডেস্ক: আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে ডিজিটাল এবং ভার্চুয়াল মুদ্রার ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত গ্লোবাল ক্রিপ্টো অ্যাডোপশন ইনডেক্স অনুযায়ী, ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে ৫৬তম। সরকারি বিধিনিষেধ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কড়া সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও দেশের একটি বড় অংশ অনলাইনভিত্তিক এই মুদ্রার লেনদেনে যুক্ত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রচলিত আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে দ্রুত অর্থ লেনদেন এবং প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্মের আগ্রহের কারণে এই ধরনের মুদ্রার প্রসার ঘটছে। বিশেষ করে ফ্রিল্যান্সার, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কর্মী এবং অনলাইনভিত্তিক ব্যবসায়ীরা নানা মাধ্যমে ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহার চালিয়ে যাচ্ছেন। কঠোর নজরদারি এবং আইনি বাধা থাকার পরও এই অনানুষ্ঠানিক বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা দীর্ঘদিন ধরেই ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহারকে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ ঘোষণা করে আসছে। দেশের প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী এ ধরনের মুদ্রায় লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এতে অর্থ পাচারের বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তা সত্ত্বেও প্রযুক্তিগত গোপনীয়তা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের সহজলভ্যতার কারণে ব্যবহারকারীরা ঝুঁকি নিয়েই এই খাতে সম্পৃক্ত হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এই প্রবণতা রোধ করা কঠিন, এর জন্য প্রয়োজন ডিজিটাল অর্থনীতির সঠিক দিকনির্দেশনা ও জনসচেতনতা। বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোকারেন্সির জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের মতো নিষিদ্ধ থাকা দেশগুলোতেও এর ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যা নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবাসীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখলেন জামায়াত নেতা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

error: Content is protected !!

নিষিদ্ধ হলেও ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৬তম

আপডেট টাইম : ৩৪ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

প্রযুক্তি ডেস্ক: আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে ডিজিটাল এবং ভার্চুয়াল মুদ্রার ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত গ্লোবাল ক্রিপ্টো অ্যাডোপশন ইনডেক্স অনুযায়ী, ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে ৫৬তম। সরকারি বিধিনিষেধ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কড়া সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও দেশের একটি বড় অংশ অনলাইনভিত্তিক এই মুদ্রার লেনদেনে যুক্ত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রচলিত আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে দ্রুত অর্থ লেনদেন এবং প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্মের আগ্রহের কারণে এই ধরনের মুদ্রার প্রসার ঘটছে। বিশেষ করে ফ্রিল্যান্সার, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কর্মী এবং অনলাইনভিত্তিক ব্যবসায়ীরা নানা মাধ্যমে ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহার চালিয়ে যাচ্ছেন। কঠোর নজরদারি এবং আইনি বাধা থাকার পরও এই অনানুষ্ঠানিক বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা দীর্ঘদিন ধরেই ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহারকে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ ঘোষণা করে আসছে। দেশের প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী এ ধরনের মুদ্রায় লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এতে অর্থ পাচারের বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তা সত্ত্বেও প্রযুক্তিগত গোপনীয়তা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের সহজলভ্যতার কারণে ব্যবহারকারীরা ঝুঁকি নিয়েই এই খাতে সম্পৃক্ত হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এই প্রবণতা রোধ করা কঠিন, এর জন্য প্রয়োজন ডিজিটাল অর্থনীতির সঠিক দিকনির্দেশনা ও জনসচেতনতা। বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোকারেন্সির জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের মতো নিষিদ্ধ থাকা দেশগুলোতেও এর ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যা নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।