মোঃ জিয়াউর রহমানঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সিনিয়র সহকারী জজ চৌকি আদালতে বাদী হয়ে গত (২৭ মে ২০২৪ ) ইং তারিখে বাদীনি জিনিয়া ইয়াসমিন রিপা, বিবাাদী মোঃ আবু আফফানের বিরুদ্ধে পারিবারিক ১৭/২৪ নং মামলায় দেন মোহর ও খোরপোষের দাবীতে মামলা দায়ের করেন । - উক্ত মামলায় গত ২৫ নভেম্বার ২০০৮ তারিখে ২০০০/- (দুই হাজার) টাকা ওয়াশিল থাকা সত্বেও বাদীনি জিনিয়া ইয়াসমিনে কাবিননামা জাল, প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া ৭০০ ০০০ (সাত লক্ষ্য) টাকার দেন মোহর বাবদ নিকাহ নামা তৈরি করেন। - এই মামলার বিজ্ঞ বিচারক ছিলেন দৌলতপুর চৌকি আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ সাইফুল ইসলাম। - এ বিচারের বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ সাইফুল ইসলাম সময়ের প্রত্যাশাকে বলেন, বাদীনীর বাচ্চাদের খোরপোষের ডিক্রি প্রদান করলেও জাল কাবিলনামা দাখিলের দায়ে আদালত বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট মামলায় বাদিনীর জিনিয়ার বিরুদ্ধে সি,আর মামলা দায়ের করা হয়। - দৌলতপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে উক্ত নিকাহ্ নামা বা কাবিননামা আদালতের কাছে জাল প্রমাণিত হয়। - দৌলতপুর সিনিয়র সহকারি জজ আদালত উক্ত মামলার বাদী হয়ে কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দৌলতপুর আমলী আদালতে ৪৬৫/৪৬৬/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪২০ নং ধারায় বাদিনী জিনিয়া ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। - গত ( ২ জুন ২০২৫) ইং তারিখে মামলাটি দায়ের করেন। উক্ত মামলার বাদীনি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন নাসির উদ্দিন ( জুয়েল) এবং বিবাদী পক্ষের আইনজীবী সামসুল হক খান নিযুক্ত ছিলেন।
মোঃ জিয়াউর রহমানঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সিনিয়র সহকারী জজ চৌকি আদালতে বাদী হয়ে গত (২৭ মে ২০২৪ ) ইং তারিখে বাদীনি জিনিয়া ইয়াসমিন রিপা, বিবাাদী মোঃ আবু আফফানের বিরুদ্ধে পারিবারিক ১৭/২৪ নং মামলায় দেন মোহর ও খোরপোষের দাবীতে মামলা দায়ের করেন ।
–
উক্ত মামলায় গত ২৫ নভেম্বার ২০০৮ তারিখে ২০০০/- (দুই হাজার) টাকা ওয়াশিল থাকা সত্বেও বাদীনি জিনিয়া ইয়াসমিনে কাবিননামা জাল, প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া ৭০০ ০০০ (সাত লক্ষ্য) টাকার দেন মোহর বাবদ নিকাহ নামা তৈরি করেন।
–
এই মামলার বিজ্ঞ বিচারক ছিলেন দৌলতপুর চৌকি আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ সাইফুল ইসলাম।
–
এ বিচারের বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ সাইফুল ইসলাম সময়ের প্রত্যাশাকে বলেন, বাদীনীর বাচ্চাদের খোরপোষের ডিক্রি প্রদান করলেও জাল কাবিলনামা দাখিলের দায়ে আদালত বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট মামলায় বাদিনীর জিনিয়ার বিরুদ্ধে সি,আর মামলা দায়ের করা হয়।
–
দৌলতপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে উক্ত নিকাহ্ নামা বা কাবিননামা আদালতের কাছে জাল প্রমাণিত হয়।