আপডেট টাইম :
০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
২৪৪
বার পঠিত
দৌলতপুরে কাজী আরেফ আহমেদসহ পাঁচ জাসদ নেতা হত্যার ২৫ তম বার্ষিকী পালন
কুষ্টিয়ায় কাজী আরেফ আহমেদসহ পাঁচ জাসদ নেতা হত্যার ২৫ তম বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার সকাল ৯টায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শহীদ ইয়াকুব আলীর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। পিএম কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, জাসদ নেতা অধ্যক্ষ রেজাউল হক, কেন্দ্রীয় যুবজোটের সভাপতি শরিফুল কবির স্বপন, দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাক্কীর আহমেদ ও শহীদ ইয়াকুব আলীর ছেলে ইউসুফ আলী রুশো। উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের কালিদাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সন্ত্রাস বিরোধী এক জনসভায় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাসদ সভপাতি কাজী আরেফ আহমেদ, জেলা জাসদের সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারন সম্পাদক এ্যাড. ইয়াকুব আলী, স্থানীয় জাসদ নেতা ইসরাইল হোসেন ও সমসের মন্ডল সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আরও পড়ুনঃ সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় সাফল্য ও সক্রিয় কূটনীতিতে দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতিফলন হত্যাকান্ডের ঘটনায় সেসময় দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়। হত্যার ঘটনায় আদালত ১০ আসামীর ফাঁশি ও ১২ আসামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। এরমধ্যে ৩ আসামির মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়েছে।
কুষ্টিয়ায় কাজী আরেফ আহমেদসহ পাঁচ জাসদ নেতা হত্যার ২৫ তম বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার সকাল ৯টায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শহীদ ইয়াকুব আলীর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।
পিএম কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, জাসদ নেতা অধ্যক্ষ রেজাউল হক, কেন্দ্রীয় যুবজোটের সভাপতি শরিফুল কবির স্বপন, দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাক্কীর আহমেদ ও শহীদ ইয়াকুব আলীর ছেলে ইউসুফ আলী রুশো।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের কালিদাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সন্ত্রাস বিরোধী এক জনসভায় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাসদ সভপাতি কাজী আরেফ আহমেদ, জেলা জাসদের সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারন সম্পাদক এ্যাড. ইয়াকুব আলী, স্থানীয় জাসদ নেতা ইসরাইল হোসেন ও সমসের মন্ডল সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
হত্যাকান্ডের ঘটনায় সেসময় দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়। হত্যার ঘটনায় আদালত ১০ আসামীর ফাঁশি ও ১২ আসামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। এরমধ্যে ৩ আসামির মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়েছে।