দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
দুই যুগ পর বোয়ালমারীতে ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি গঠনঃ নেই দীর্ঘদিনের পরিক্ষিত ত্যাগিদের নাম
ফরিদপুরর বোয়ালমারী উপজেলা ও পৌরসভা ছাত্রলীগর নবঘোষিত আংশিক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে বোয়ালমারী থানা রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ সম্পাদক মো. রাজিব খান সজিবের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ নেতা মো. সুজন মাল্যা, লোকমান মিয়া, মাহিয়া মাহী, আল আমিন প্রমুখ। সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, ত্যাগিদের বঞ্চিত করে পকেট কমিটি করা হয়েছে। আমরা এ অবৈধ কমিটি মানিনা। অবিলম্ব বোয়ালমারী উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল করে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করার জোর দাবি জানান তারা। বক্তাগণ বলেন, দীর্ঘ ২৩ বছর পর নেতাকর্মীরা আশা করেছিলেন সম্মেলনের মাধ্যম কমিটি গঠন করা হবে। আওয়ামী লীগর প্রসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান জেলা কমিটিকে চাপ দিয়ে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে কমিটি ঘোষণা করিয়েছেন। এই কমিটি অগঠনতান্ত্রীক ও অবৈধ। সমাবেশ শেষে দলীয় কার্যালয় হতে একটি বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে আবার দলীয় কার্যালয়ে ফিরে সমাবেশ করে। এতে উপজলা ছাত্রলীগের সভাপতি করা হয়েছে মর্তুজা আলী তমাল এবং সাধারন সম্পাদক পদে প্রান্ত সিদ্দিক এবং পরে কমিটিতে সভাপতি পদে আমিনুল শেখ এবং সাধারন সম্পাদক পদে সিরাজুল ইসলামের নাম প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়।
ফরিদপুরর বোয়ালমারী উপজেলা ও পৌরসভা ছাত্রলীগর নবঘোষিত আংশিক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে বোয়ালমারী থানা রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ সম্পাদক মো. রাজিব খান সজিবের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ নেতা মো. সুজন মাল্যা, লোকমান মিয়া, মাহিয়া মাহী, আল আমিন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, ত্যাগিদের বঞ্চিত করে পকেট কমিটি করা হয়েছে। আমরা এ অবৈধ কমিটি মানিনা। অবিলম্ব বোয়ালমারী উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল করে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করার জোর দাবি জানান তারা।
বক্তাগণ বলেন, দীর্ঘ ২৩ বছর পর নেতাকর্মীরা আশা করেছিলেন সম্মেলনের মাধ্যম কমিটি গঠন করা হবে।
আওয়ামী লীগর প্রসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান জেলা কমিটিকে চাপ দিয়ে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে কমিটি ঘোষণা করিয়েছেন। এই কমিটি অগঠনতান্ত্রীক ও অবৈধ।
সমাবেশ শেষে দলীয় কার্যালয় হতে একটি বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে আবার দলীয় কার্যালয়ে ফিরে সমাবেশ করে।
এতে উপজলা ছাত্রলীগের সভাপতি করা হয়েছে মর্তুজা আলী তমাল এবং সাধারন সম্পাদক পদে প্রান্ত সিদ্দিক এবং পরে কমিটিতে সভাপতি পদে আমিনুল শেখ এবং সাধারন সম্পাদক পদে সিরাজুল ইসলামের নাম প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়।