আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিরাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের বংপুর মৌজায় প্রায় ৬৬ শতক ফসলি জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, কোনো কাগজপত্র ছাড়াই বংপুর গ্রামের মৃত এমাজ উদ্দিনের পুত্র সেলিম ও মৃত সাদেকুলের পুত্র মাসুদের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্র জোরপূর্বক এসব জমি জবরদখল করে রেখেছেন। এ ঘটনায় গ্রামবাসীদের মাঝে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কলমা ইউনিয়নের জেল নম্বর ৩০ মৌজা বংপুর, আরএস খতিয়ান নম্বর ১৪০, আরএস দাগ নম্বর ১৯৫, শ্রেণি কৃষি, পরিমাণ এক একর ৩২ শতক। পৈতৃক সূত্রে এসব জমির মালিক মৃত সবল শাহ এবং ক্রয় ও পৈতৃক সূত্রে তার পুত্র গুল মোহাম্মদ এসব জমির মধ্যে এক একর ১৬ শতক জমির বৈধ মালিক। হালনাগাদ খাজনা ও খারিজ গুল মোহাম্মদের নামে চলমান রয়েছে। কিন্তু বংপুর গ্রামের মৃত এমাজ উদ্দিনের পুত্র প্রভাবশালী সেলিম ও মৃত সাদেকুলের পুত্র মাসুদের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্র জোরপূর্বক এসব জমি জবরদখল করে রেখেছেন।এদিকে স্থানীয় গ্রামবাসীরা বলেন, এসব জমির বৈধ মালিক গুল মোহাম্মদ। কিন্তু সেলিম ও মাসুদ পেশীশক্তি এবং লাঠির জোরে জবরদখল করেছেন। তারা দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারছেন না। কেউ কখনো প্রতিবাদ করলে তাকে মারপিট করাসহ মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম ও মাসুদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রেকর্ড মূলে তারা জমি দখল করেছেন। জমি তাদের...
আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের বংপুর মৌজায় প্রায় ৬৬ শতক ফসলি জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, কোনো কাগজপত্র ছাড়াই বংপুর গ্রামের মৃত এমাজ উদ্দিনের পুত্র সেলিম ও মৃত সাদেকুলের পুত্র মাসুদের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্র জোরপূর্বক এসব জমি জবরদখল করে রেখেছেন। এ ঘটনায় গ্রামবাসীদের মাঝে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কলমা ইউনিয়নের জেল নম্বর ৩০ মৌজা বংপুর, আরএস খতিয়ান নম্বর ১৪০, আরএস দাগ নম্বর ১৯৫, শ্রেণি কৃষি, পরিমাণ এক একর ৩২ শতক। পৈতৃক সূত্রে এসব জমির মালিক মৃত সবল শাহ এবং ক্রয় ও পৈতৃক সূত্রে তার পুত্র গুল মোহাম্মদ এসব জমির মধ্যে এক একর ১৬ শতক জমির বৈধ মালিক। হালনাগাদ খাজনা ও খারিজ গুল মোহাম্মদের নামে চলমান রয়েছে। কিন্তু বংপুর গ্রামের মৃত এমাজ উদ্দিনের পুত্র প্রভাবশালী সেলিম ও মৃত সাদেকুলের পুত্র মাসুদের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্র জোরপূর্বক এসব জমি জবরদখল করে রেখেছেন।
এদিকে স্থানীয় গ্রামবাসীরা বলেন, এসব জমির বৈধ মালিক গুল মোহাম্মদ। কিন্তু সেলিম ও মাসুদ পেশীশক্তি এবং লাঠির জোরে জবরদখল করেছেন। তারা দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারছেন না। কেউ কখনো প্রতিবাদ করলে তাকে মারপিট করাসহ মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম ও মাসুদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রেকর্ড মূলে তারা জমি দখল করেছেন। জমি তাদের দখলে আছে যা হবার তা কোর্টে হবে।