আপডেট টাইম :
১১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১
৩০৭
বার পঠিত
ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা রাস্তায় মটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গৃহবধুর মৃত্যু!
লকডাউনের এই ৮ দিন সময় কাটাতে পিতার বাড়িতে স্বামীর কর্মস্থল থেকে ফিরছিলেন খাদিজা বেগম নামে এক গৃহবধু। কিন্তু তার আর পিতা মাতার কাছে ফেরা হলো না। মঙ্গলবার রাতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটী মোড়ে মটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মারা যান খাদিজা। নিহত খাদিজা চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নুতনপাড়ার বাসিন্দা। রাতে তার ভাই আব্বাস উদ্দীনের সঙ্গে যশোর থেকে ফিরছিলেন। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ ফকরুল আলম জানান, খাদিজা স্বামী আবুল কাসেমের সঙ্গে নরসিংদি জেলায় থাকতেন। লকডাউন শুরুর আগের রাতে তিনি বিভিন্ন পরিবহন যোগে যশোরে এসে পৌছান। রাতে তাকে আনতে যশোরে যান ভাই আব্বাস উদ্দীন। মটরসাইকেল যোগে দ্রুত বাড়ি ফেরার সময় গতিরোধক দেখতে পাননি চালক আব্বাস। ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়কের সাধুহাটী মোড়ে স্পিডব্রেকার পার হওয়ার সময় পেছনে বসে থাকা বোন খাদিজা ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মারা যান।
লকডাউনের এই ৮ দিন সময় কাটাতে পিতার বাড়িতে স্বামীর কর্মস্থল থেকে ফিরছিলেন খাদিজা বেগম নামে এক গৃহবধু। কিন্তু তার আর পিতা মাতার কাছে ফেরা হলো না। মঙ্গলবার রাতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটী মোড়ে মটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মারা যান খাদিজা।
নিহত খাদিজা চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নুতনপাড়ার বাসিন্দা। রাতে তার ভাই আব্বাস উদ্দীনের সঙ্গে যশোর থেকে ফিরছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ ফকরুল আলম জানান, খাদিজা স্বামী আবুল কাসেমের সঙ্গে নরসিংদি জেলায় থাকতেন।
লকডাউন শুরুর আগের রাতে তিনি বিভিন্ন পরিবহন যোগে যশোরে এসে পৌছান। রাতে তাকে আনতে যশোরে যান ভাই আব্বাস উদ্দীন।
মটরসাইকেল যোগে দ্রুত বাড়ি ফেরার সময় গতিরোধক দেখতে পাননি চালক আব্বাস। ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়কের সাধুহাটী মোড়ে স্পিডব্রেকার পার হওয়ার সময় পেছনে বসে থাকা বোন খাদিজা ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মারা যান।