মোঃ মিশিকুল মন্ডল, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিবৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে জয়পুরহাট-হিলি সড়কের কাশিয়াবাড়ী এলাকায় জয়পুরহাটে বাসের চাপায় আশিফ হোসেন (১৭) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। ঘটনার পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।নিহত আশিফ হোসেন জয়পুরহাট সদর উপজেলার হাতিগারা গ্রামের এমরান হোসেনের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জয়পুরহাট থেকে জেআর পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস হিলির দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শহরের কাশিয়াবাড়ী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয় বাসটি। এ সময় বাসের চাকার নিচে পড়েন মোটরসাইকেল আরোহী আশিফ। স্থানীয়দের চিৎকারেও বাসটি না থেমে কিছুদূর টেনে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আশিফ নিহত হন। গুরুতর আহত হন দুইজন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। আর দুর্ঘটনার পরই স্থানীয় জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়কে নেমে বাসটিতে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করেন। এতে বাসটি পুড়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় জয়পুরহাট-হিলি সড়কে যান চলাচল। খবর পেয়ে পুলিশ ও জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সড়ক থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।সদর থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তিসহ নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মোঃ মিশিকুল মন্ডল, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে জয়পুরহাট-হিলি সড়কের কাশিয়াবাড়ী এলাকায় জয়পুরহাটে বাসের চাপায় আশিফ হোসেন (১৭) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। ঘটনার পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
নিহত আশিফ হোসেন জয়পুরহাট সদর উপজেলার হাতিগারা গ্রামের এমরান হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জয়পুরহাট থেকে জেআর পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস হিলির দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শহরের কাশিয়াবাড়ী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয় বাসটি। এ সময় বাসের চাকার নিচে পড়েন মোটরসাইকেল আরোহী আশিফ। স্থানীয়দের চিৎকারেও বাসটি না থেমে কিছুদূর টেনে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আশিফ নিহত হন। গুরুতর আহত হন দুইজন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। আর দুর্ঘটনার পরই স্থানীয় জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়কে নেমে বাসটিতে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করেন। এতে বাসটি পুড়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় জয়পুরহাট-হিলি সড়কে যান চলাচল। খবর পেয়ে পুলিশ ও জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সড়ক থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তিসহ নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।