আপডেট টাইম :
০৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩
২১৯
বার পঠিত
চরভদ্রাসনে পদ্মা রক্ষা বাঁধে ধস
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদর ইউনিয়নের টিলারচর গ্রামে পদ্মা নদীর তীর সংরক্ষন বাঁধে প্রায় ১৬০ ফিট এলাকা জুড়ে ধস দেখা গেছে। এতে উপজেলার পদ্মা রক্ষা বাঁধটি হুমকীর মুখে রয়েছে। গত শনিবার বিকেলে উপজেলা পদ্মা নদীর উক্ত গ্রাম পয়েন্টে বাঁধে ধস দেখা দেয়। রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী মোর্শেদ, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ কাউছার, ভাইস চেয়ারম্যান মোতালেব হোসেন মোল্যা, ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ খান, ফরিদপুর পাউবো’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেছেন। রোববার বিকেলে ফরিদপুর পাউবো’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন জানান, “শাহীনুজ্জামান নামক এক বালু ব্যাবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে ভারী পাইপ লাইনের মাধ্যমে বলগেইটের বালু লোড-আনলোড করে আসছিল। এতে পদ্মার তীর সংরক্ষন বাঁধের তলদেশের মাটি সরে গিয়ে প্রায় ৩০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। এছাড়াও উক্ত বাঁধ এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ধস দেখা দিয়েছে। তিনি আরও জানান, পদ্মা রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে ওই বালু ব্যাবসায়ীর ধংসাত্নক কার্যকলাপের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করা হয়েছে। আর পদ্মা নদীর পানি কমে সম্পূর্ণ তীর জাগার পর বিধ্বস্ত বাঁধ মেরামত করা সম্ভব বলেও তিনি জানান”। আরও পড়ুনঃ হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা মেট্রোরেল নির্মাণ শুরু এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী মোর্শেদ বলেন, “পদ্মা রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে বলগেইটে বালু আনলোড দ্রুত বন্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং শীগ্রই...
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদর ইউনিয়নের টিলারচর গ্রামে পদ্মা নদীর তীর সংরক্ষন বাঁধে প্রায় ১৬০ ফিট এলাকা জুড়ে ধস দেখা গেছে। এতে উপজেলার পদ্মা রক্ষা বাঁধটি হুমকীর মুখে রয়েছে।
গত শনিবার বিকেলে উপজেলা পদ্মা নদীর উক্ত গ্রাম পয়েন্টে বাঁধে ধস দেখা দেয়। রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী মোর্শেদ, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ কাউছার, ভাইস চেয়ারম্যান মোতালেব হোসেন মোল্যা, ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ খান, ফরিদপুর পাউবো’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
রোববার বিকেলে ফরিদপুর পাউবো’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন জানান, “শাহীনুজ্জামান নামক এক বালু ব্যাবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে ভারী পাইপ লাইনের মাধ্যমে বলগেইটের বালু লোড-আনলোড করে আসছিল। এতে পদ্মার তীর সংরক্ষন বাঁধের তলদেশের মাটি সরে গিয়ে প্রায় ৩০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। এছাড়াও উক্ত বাঁধ এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ধস দেখা দিয়েছে। তিনি আরও জানান, পদ্মা রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে ওই বালু ব্যাবসায়ীর ধংসাত্নক কার্যকলাপের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করা হয়েছে। আর পদ্মা নদীর পানি কমে সম্পূর্ণ তীর জাগার পর বিধ্বস্ত বাঁধ মেরামত করা সম্ভব বলেও তিনি জানান”।
এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী মোর্শেদ বলেন, “পদ্মা রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে বলগেইটে বালু আনলোড দ্রুত বন্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং শীগ্রই ধসে যাওয়া বাঁধ এলাকা মেরামতের জন্য সব ধরনের ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে”।