ঢাকা , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

কৃষিকে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: বর্তমান সরকার দেশের কৃষিখাতকে সনাতন ধারা থেকে পুরোপুরি বের করে এনে একে আধুনিক, লাভজনক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে। কৃষকদের কায়িক পরিশ্রমের ওপর নির্ভরতা কমাতেই গবেষণা, নতুন উদ্ভাবন এবং সার্বিক যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে এই খাতকে যুগোপযোগী করার কাজ চলছে। সম্প্রতি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে প্রযুক্তি গ্রামের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এসব কথা বলেন। তিনি জানান, কৃষিকে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে বর্তমান প্রশাসন নানামুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

কৃষি ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপকহারে বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে কৃষক নিবন্ধন, সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি এবং মোবাইলভিত্তিক আবহাওয়া ও বাজারদর সংক্রান্ত তথ্য সেবা চালু করা হয়েছে। এছাড়া ই-এক্সটেনশন সেবা এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষি সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফসলের উৎপাদন বাড়াতে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অফ থিংস, ড্রোন প্রযুক্তি, স্যাটেলাইট ডেটা এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সুফল মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

এই আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ফলে কৃষকরা এখন খুব সহজেই ফসলের সঠিক ফলন পর্যবেক্ষণ, রোগবালাই শনাক্তকরণ এবং সুনির্দিষ্ট মাত্রায় সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। এর মাধ্যমে মূলত কৃষিকাজে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর পাশাপাশি কৃষকদের দীর্ঘদিনের শ্রম সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মূলত কৃষিকে একটি আকর্ষণীয় ও লাভজনক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতেই সরকার যান্ত্রিকীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বলে সমাবেশে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তারাও তাদের কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। প্রতিষ্ঠানটির এলএসটিডি প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন জানান, দেশব্যাপী ধান গবেষণাকে বিকেন্দ্রীকরণ ও সমান গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে ছয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অঞ্চলভিত্তিক ধানের নতুন জাত ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সমাবেশে স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি নেতার আয়োজনে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

error: Content is protected !!

কৃষিকে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

জাতীয় ডেস্ক: বর্তমান সরকার দেশের কৃষিখাতকে সনাতন ধারা থেকে পুরোপুরি বের করে এনে একে আধুনিক, লাভজনক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে। কৃষকদের কায়িক পরিশ্রমের ওপর নির্ভরতা কমাতেই গবেষণা, নতুন উদ্ভাবন এবং সার্বিক যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে এই খাতকে যুগোপযোগী করার কাজ চলছে। সম্প্রতি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে প্রযুক্তি গ্রামের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এসব কথা বলেন। তিনি জানান, কৃষিকে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে বর্তমান প্রশাসন নানামুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

কৃষি ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপকহারে বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে কৃষক নিবন্ধন, সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি এবং মোবাইলভিত্তিক আবহাওয়া ও বাজারদর সংক্রান্ত তথ্য সেবা চালু করা হয়েছে। এছাড়া ই-এক্সটেনশন সেবা এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষি সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফসলের উৎপাদন বাড়াতে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অফ থিংস, ড্রোন প্রযুক্তি, স্যাটেলাইট ডেটা এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সুফল মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

এই আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ফলে কৃষকরা এখন খুব সহজেই ফসলের সঠিক ফলন পর্যবেক্ষণ, রোগবালাই শনাক্তকরণ এবং সুনির্দিষ্ট মাত্রায় সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। এর মাধ্যমে মূলত কৃষিকাজে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর পাশাপাশি কৃষকদের দীর্ঘদিনের শ্রম সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মূলত কৃষিকে একটি আকর্ষণীয় ও লাভজনক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতেই সরকার যান্ত্রিকীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বলে সমাবেশে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তারাও তাদের কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। প্রতিষ্ঠানটির এলএসটিডি প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন জানান, দেশব্যাপী ধান গবেষণাকে বিকেন্দ্রীকরণ ও সমান গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে ছয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অঞ্চলভিত্তিক ধানের নতুন জাত ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সমাবেশে স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।