আপডেট টাইম :
১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩
২৯৯
বার পঠিত
কুষ্টিয়া-৪ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর কর্মীকে মারধরের ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রউফের কর্মী আজিজুর রহমান সুমনকে (৪২) মারধরের অভিযোগে নৌকা প্রার্থীর আট কর্মী-সমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার (৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১২টার পর ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় এ মামলা করেন। রাতেই পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীনকে (৪৬) গ্রেফতার করে পুলিশ। সুমন উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের মৃত আকবর হোসেনের ছেলে ও আওয়ামী লীগ কর্মী। বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। সুমন বলেন, আমি সন্ধ্যায় স্বতন্ত্রপ্রার্থী আব্দুর রউফের থানামোড় সংলগ্ন নির্বাচনী কার্যালয়ে যাচ্ছিলাম। সেসময় থানা মোড়ের ছমিরের চায়ের দোকানে সামনে নৌকার সমর্থক সরোয়ার, রাসেল, সোহেল, শাহীন, শফিসহ ১০-১২ জন লোহার রড, বাঁশ ও কাঠের লাঠি দিয়ে আমাকে ব্যাপক মারধর করে। আমি সুষ্ঠু বিচারের আশায় থানায় মামলা করেছি। আরও পড়ুনঃ গোমস্তাপুরে সীমান্তে গুলিতে নিহত যুবকের মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ তার ভাষ্য, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোটের প্রচার-প্রচারণা করায় এবং অন্য কর্মীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে অভিযুক্তরা তার ওপর এ হামলা চালিয়েছে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকিবুল ইসলাম বলেন, স্বতন্ত্রপ্রার্থীর কর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় একজনকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রউফের কর্মী আজিজুর রহমান সুমনকে (৪২) মারধরের অভিযোগে নৌকা প্রার্থীর আট কর্মী-সমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১২টার পর ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় এ মামলা করেন। রাতেই পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীনকে (৪৬) গ্রেফতার করে পুলিশ।
সুমন উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের মৃত আকবর হোসেনের ছেলে ও আওয়ামী লীগ কর্মী। বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
সুমন বলেন, আমি সন্ধ্যায় স্বতন্ত্রপ্রার্থী আব্দুর রউফের থানামোড় সংলগ্ন নির্বাচনী কার্যালয়ে যাচ্ছিলাম। সেসময় থানা মোড়ের ছমিরের চায়ের দোকানে সামনে নৌকার সমর্থক সরোয়ার, রাসেল, সোহেল, শাহীন, শফিসহ ১০-১২ জন লোহার রড, বাঁশ ও কাঠের লাঠি দিয়ে আমাকে ব্যাপক মারধর করে। আমি সুষ্ঠু বিচারের আশায় থানায় মামলা করেছি।