আপডেট টাইম :
১০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩
২২১
বার পঠিত
কুষ্টিয়ায় প্রস্তাবিত স্থল বন্দরের স্থান পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের প্রাগপুর সীমান্তে প্রস্তাবিত স্থল বন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার (রাজশাহী) মনোজ কুমার। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি স্থল বন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। দৌলতপুরের প্রাগপুর সীমান্তে স্থল বন্দর নির্মাণের জন্য জাতীয় সংসদে বিষয়টি একাধিকবার উপস্থাপন করা হয়। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদনও করা হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার (রাজশাহী) মনোজ কুমার স্থল বন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনে করেন। দৌলতপুরের প্রাগপুর সীমান্তে স্থল বন্দর নির্মাণ বা স্থাপন করা হলে ঢাকার সঙ্গে কলকাতার সড়ক পথে দূরত্ব কমবে। বাংলাদেশের প্রাগপুর সীমান্ত যেখান থেকে সরাসরি ঢাকার সঙ্গে সড়ক পথে যোগাযোগের সুব্যবস্থা রয়েছে। অপরদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার করিমপুর থানার শিকারপুর (রানীনগর) সীমান্ত যেখান থেকে কলকাতায় সরাসরি সড়ক পথে যোগাযোগের সুব্যবস্থা রয়েছে। স্থল বন্দর নির্মাণের জন্য উভয় সীমান্তের মাঝে মাথাভাঙ্গা নদীতে শুধু ৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ প্রয়োজন। প্রাগপুর সীমান্তে স্থল বন্দর নির্মিত হলে উভয় দেশের আর্থিক খাত সমৃদ্ধ হবে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। আরও পড়ুনঃ বন্ধুকে অপহরণ করে হত্যা, লাশের বস্তায় বেঁধে দেওয়া হয় ইট এ সময় উপস্থিত ছিলেন- দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এজাজ আহমেদ মামুন, দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওবায়দুল্লাহ, দৌলতপুর থানার ওসি মজিবুর রহমান, কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম, দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাক্কীর আহমেদ,...
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের প্রাগপুর সীমান্তে প্রস্তাবিত স্থল বন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার (রাজশাহী) মনোজ কুমার।
বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি স্থল বন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
দৌলতপুরের প্রাগপুর সীমান্তে স্থল বন্দর নির্মাণের জন্য জাতীয় সংসদে বিষয়টি একাধিকবার উপস্থাপন করা হয়। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদনও করা হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার (রাজশাহী) মনোজ কুমার স্থল বন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনে করেন।
দৌলতপুরের প্রাগপুর সীমান্তে স্থল বন্দর নির্মাণ বা স্থাপন করা হলে ঢাকার সঙ্গে কলকাতার সড়ক পথে দূরত্ব কমবে। বাংলাদেশের প্রাগপুর সীমান্ত যেখান থেকে সরাসরি ঢাকার সঙ্গে সড়ক পথে যোগাযোগের সুব্যবস্থা রয়েছে।
অপরদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার করিমপুর থানার শিকারপুর (রানীনগর) সীমান্ত যেখান থেকে কলকাতায় সরাসরি সড়ক পথে যোগাযোগের সুব্যবস্থা রয়েছে। স্থল বন্দর নির্মাণের জন্য উভয় সীমান্তের মাঝে মাথাভাঙ্গা নদীতে শুধু ৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ প্রয়োজন। প্রাগপুর সীমান্তে স্থল বন্দর নির্মিত হলে উভয় দেশের আর্থিক খাত সমৃদ্ধ হবে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।