ঋণের ভার সইতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন ভ্যানচালক
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ভ্যানচালক মো. ইউসুফ আলী মৃধা ঋনের ভার সইতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন। শুক্রবার (২৬মে) সকালে তার নিজ বসতঘরের পাশের কৃষি জমি থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জানা গেছে, উপজেলার পৌর এলাকার সারদল গ্রামের হাকিম মৃধার ছেলে ইউসুফ আলী মৃধা (৪৫) শনিবার রাতে বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন খুজতে বের হলে বাড়ির পাশে কৃষি জমিতে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পায়। এসময় তার মুখ থেকে ফেনা বের হচ্ছিল বলে তারা জানান। পরে তাকে উদ্ধার করে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরিবারের লোকজনের ধারনা তিনি বিষাক্ত কিছু পান করেছেন। নিহতের ভাই ইউনুস মৃধা জানান,সে বিভিন্ন এনজিওর কাছ থেকে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা ঋন নিয়ে নিজের বসতঘর তৈরি করার কাজে খরচ করেছেন। এছাড়া হাত উদ্ধারও আছেন বেশ কিছু টাকা। এসব নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বেশ কয়েকজন এনজিও কর্মী বাড়িতে কিস্তির জন্য তাকে খুজে গিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ কুষ্টিয়ায় কাল বৈশাখীর তান্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি নিহত ইউসুফ আলী মৃধার সংসারে তিনটি কন্যা শিশু রয়েছে। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তার একাধিক প্রতিবেশী। নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান,ঘটনা শুনে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ভ্যানচালক মো. ইউসুফ আলী মৃধা ঋনের ভার সইতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন। শুক্রবার (২৬মে) সকালে তার নিজ বসতঘরের পাশের কৃষি জমি থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, উপজেলার পৌর এলাকার সারদল গ্রামের হাকিম মৃধার ছেলে ইউসুফ আলী মৃধা (৪৫) শনিবার রাতে বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন খুজতে বের হলে বাড়ির পাশে কৃষি জমিতে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পায়। এসময় তার মুখ থেকে ফেনা বের হচ্ছিল বলে তারা জানান। পরে তাকে উদ্ধার করে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরিবারের লোকজনের ধারনা তিনি বিষাক্ত কিছু পান করেছেন।
নিহতের ভাই ইউনুস মৃধা জানান,সে বিভিন্ন এনজিওর কাছ থেকে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা ঋন নিয়ে নিজের বসতঘর তৈরি করার কাজে খরচ করেছেন। এছাড়া হাত উদ্ধারও আছেন বেশ কিছু টাকা। এসব নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বেশ কয়েকজন এনজিও কর্মী বাড়িতে কিস্তির জন্য তাকে খুজে গিয়েছেন।