দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪
২৪৫
বার পঠিত
আল-কুরআন হেফজে বিশ্বরেকর্ড: আরমান হোসেনের অসাধারণ অর্জন
গত ২৪ আগস্ট ২০২৪, পবিত্র আল-কুরআন পূর্ণাঙ্গ মুখস্থ করেন ২১ বছর বয়সী রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আরমান হোসেন (রবিন)। এই প্রখর মেধার অধিকারীর ভাষ্যমতে, “পৃথিবীজুড়ে লেংটাকালের বিশ্বস্ত ও নিঃস্বার্থের একমাত্র প্রিয় বন্ধু মোঃ ইয়াসিন আরাফাত (রায়হান) এর জ্ঞানমূলক পরামর্শেই অনুপ্রাণিত হয়ে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পবিত্র আল-কুরআনের ছবক নেন ও তাঁর অলৌকিক স্বপ্নকে প্রচ্ছন্ন (গোপন) চূড়ান্ত লক্ষ্য কেন্দ্র করে সম্পূর্ণ আল-কুরআন মুখস্থ করেন।” কুরআনের অর্থানুসারে তাঁর তেলাওয়াতে রয়েছে শ্রুতিমধুর সুর সহ কান্নাজড়িত আবেগ ও বজ্রকণ্ঠের ঝংকার। তিনি নোয়াখালী হাতিয়া-উপজেলার সর্বশ্রেষ্ঠ হাফেজ মাওলানা ক্বারী নাজিম উদ্দিনকে ই‘লমে ক্বিরাত শুনিয়ে প্রথম স্থানে সুনামের সহিত হিফজুল কুরআন বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে সনদপত্র অর্জন করেছেন। এই তরুণ ৩ ভাই-বোনের মধ্যে পিতা-মাতার দ্বিতীয় সন্তান। তাঁর বাড়ি নোয়াখালী–হাতিয়া উপজেলার ৮ নং সোনাদিয়া ইউনিয়ন/গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ড, মানিক বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। আরও পড়ুনঃ আলমডাঙ্গার মুন্সীগঞ্জে তরুণীকে হত্যা করে রেললাইনে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা তিনি দক্ষিণ চরচেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাক-প্রাথমিক, এম.সি.এস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বর্তমানে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্টে অনার্সে (স্নাতক) অধ্যয়নরত। এই অসাধারণ অর্জন তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
গত ২৪ আগস্ট ২০২৪, পবিত্র আল-কুরআন পূর্ণাঙ্গ মুখস্থ করেন ২১ বছর বয়সী রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আরমান হোসেন (রবিন)। এই প্রখর মেধার অধিকারীর ভাষ্যমতে, “পৃথিবীজুড়ে লেংটাকালের বিশ্বস্ত ও নিঃস্বার্থের একমাত্র প্রিয় বন্ধু মোঃ ইয়াসিন আরাফাত (রায়হান) এর জ্ঞানমূলক পরামর্শেই অনুপ্রাণিত হয়ে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পবিত্র আল-কুরআনের ছবক নেন ও তাঁর অলৌকিক স্বপ্নকে প্রচ্ছন্ন (গোপন) চূড়ান্ত লক্ষ্য কেন্দ্র করে সম্পূর্ণ আল-কুরআন মুখস্থ করেন।”
কুরআনের অর্থানুসারে তাঁর তেলাওয়াতে রয়েছে শ্রুতিমধুর সুর সহ কান্নাজড়িত আবেগ ও বজ্রকণ্ঠের ঝংকার। তিনি নোয়াখালী হাতিয়া-উপজেলার সর্বশ্রেষ্ঠ হাফেজ মাওলানা ক্বারী নাজিম উদ্দিনকে ই‘লমে ক্বিরাত শুনিয়ে প্রথম স্থানে সুনামের সহিত হিফজুল কুরআন বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে সনদপত্র অর্জন করেছেন।
এই তরুণ ৩ ভাই-বোনের মধ্যে পিতা-মাতার দ্বিতীয় সন্তান। তাঁর বাড়ি নোয়াখালী–হাতিয়া উপজেলার ৮ নং সোনাদিয়া ইউনিয়ন/গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ড, মানিক বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত।
তিনি দক্ষিণ চরচেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাক-প্রাথমিক, এম.সি.এস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বর্তমানে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্টে অনার্সে (স্নাতক) অধ্যয়নরত। এই অসাধারণ অর্জন তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।