আপডেট টাইম :
০৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩
২৩৫
বার পঠিত
আলফাডাঙ্গায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাড়ালেন মিজানুর রহমান
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাড়ালের উপজেলার বানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব এস এম মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩১ টি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়া আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী কামরুল ইসলামের পরিচালনায় এসময় ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান আলী আজম, ইউপি সদস্য আবু সাঈদ পটু মিয়া ও শামিম মল্লিকসহ সকল ইউপি সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। গত ৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ছয়টি গ্রামে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ভয়াবাহ ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। শত শত বসতঘর ভেঙে যায়, হাজার গাছ উপড়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই খোলা আকাশের নিচে ও আশপাশে বাড়িতে স্থান নিয়েছে। আরও পড়ুনঃ কুষ্টিয়া’র সাবেক তিন এমপি ১৮টি ককটেলসহ গ্রেপ্তার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য এস এম মিজানুর রহমান বলেন, ৫ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ে উপজেলার সদর ও টগরবন্দ ইউনিয়নের ছয়-সাতটি গ্রামে ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করেছি। আশা করি তারা আবারও ঘুরে দাড়াবেন। নতুন করে। ভালোভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখবেন। উপজেলার দুস্থ ও অসহায় লোজনের মাঝে আমার সহযোগীতা চলমান থাকবে। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাড়ালের উপজেলার বানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব এস এম মিজানুর রহমান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩১ টি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়া আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী কামরুল ইসলামের পরিচালনায় এসময় ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান আলী আজম, ইউপি সদস্য আবু সাঈদ পটু মিয়া ও শামিম মল্লিকসহ সকল ইউপি সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
গত ৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ছয়টি গ্রামে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ভয়াবাহ ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। শত শত বসতঘর ভেঙে যায়, হাজার গাছ উপড়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই খোলা আকাশের নিচে ও আশপাশে বাড়িতে স্থান নিয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য এস এম মিজানুর রহমান বলেন, ৫ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ে উপজেলার সদর ও টগরবন্দ ইউনিয়নের ছয়-সাতটি গ্রামে ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করেছি। আশা করি তারা আবারও ঘুরে দাড়াবেন। নতুন করে।
ভালোভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখবেন। উপজেলার দুস্থ ও অসহায় লোজনের মাঝে আমার সহযোগীতা চলমান থাকবে। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।