ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, দীপু মনিসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

আইন-আদালত ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের একটি বিশেষ আদালতে এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারকাজ এগিয়ে চলেছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বিশিষ্ট কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আদালত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের আইনি যুক্তি ও প্রাথমিক তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

অভিযুক্তদের এই তালিকায় রয়েছে সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একাধিক শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা। আদালতের এই আদেশের ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনি লড়াইয়ের নতুন এক ধাপে প্রবেশ করতে হলো। বিচারালয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা আলোচনা ও পর্যালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী অভিযুক্তদের মধ্যে মির্জা আজম দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন এবং বিচারিক কার্যক্রমে অনুপস্থিত আছেন। তার এই অনুপস্থিতির কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে এই পরোয়ানা দ্রুত বাস্তবায়ন করে পলাতক আসামিকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।

কারাগারে থাকা বাকি আসামিদের আগামী ২২ নভেম্বর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। নির্ধারিত ওই তারিখেই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম এবং সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। বিচারিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আদালতের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেদের মক্কেলদের নির্দোষ প্রমাণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

টেলরের সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়ছে জিম্বাবুয়ে

error: Content is protected !!

আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, দীপু মনিসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আইন-আদালত ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের একটি বিশেষ আদালতে এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারকাজ এগিয়ে চলেছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বিশিষ্ট কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আদালত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের আইনি যুক্তি ও প্রাথমিক তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

অভিযুক্তদের এই তালিকায় রয়েছে সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একাধিক শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা। আদালতের এই আদেশের ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনি লড়াইয়ের নতুন এক ধাপে প্রবেশ করতে হলো। বিচারালয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা আলোচনা ও পর্যালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী অভিযুক্তদের মধ্যে মির্জা আজম দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন এবং বিচারিক কার্যক্রমে অনুপস্থিত আছেন। তার এই অনুপস্থিতির কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে এই পরোয়ানা দ্রুত বাস্তবায়ন করে পলাতক আসামিকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।

কারাগারে থাকা বাকি আসামিদের আগামী ২২ নভেম্বর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। নির্ধারিত ওই তারিখেই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম এবং সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। বিচারিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আদালতের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেদের মক্কেলদের নির্দোষ প্রমাণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।