ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা

রনি রজবঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা ও সম্ভাবনা দুটোই বেশি। এখানকার মাটি রেশম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এটি বাংলাদেশের প্রায় ৭৫% রেশম উৎপাদন করে।

সরকারি সহায়তা (যেমন: তুঁত চারা ও উপকরণ) এবং বিনা খরচে অধিক লাভের কারণে চাষিরা রেশম চাষে আগ্রহী। যদিও সুতার আমদানি নির্ভরতা আগের তুলনায় কিছুটা কমে যাওয়ায় ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

এই শিল্প গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

চাহিদা ও ঐতিহ্য ও পরিচিতিঃ ভোলাহাট রেশম চাষের ‘মাতৃভূমি’ হিসেবে পরিচিত এবং এটি এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ঐতিহ্য।

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিঃ কম খরচে বেশি লাভ এবং সরকারি সহায়তা (যেমন বিনামূল্যে তুঁত চারা ও উপকরণ) পাওয়ায় চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

কর্মসংস্থানঃ এটি স্থানীয় বহু পরিবারে, বিশেষত নারী ও ভূমিহীনদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।

রেকর্ড উৎপাদনঃ অনুকূল পরিবেশ ও চাষিদের আগ্রহের কারণে ভোলাহাটে রেশম উৎপাদন রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

বর্তমান অবস্থা ও চ্যালেঞ্জঃ

উত্থান-পতনঃ একসময় ব্যাপক উৎপাদন হলেও, কিছু কারণে (যেমন ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, উদাসীনতা) চাষ কমে গিয়েছিল, যা এখন আবার বাড়ছে।

আমদানি নির্ভরতাঃ রেশম বস্ত্রের সুতা এখনো আমদানিনির্ভর, যা একটি চ্যালেঞ্জ।

সরকারি উদ্যোগঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড তুঁত গাছ ও উপকরণ সরবরাহ করে চাষিদের সহায়তা করছে, যা এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করছে।

সামগ্রিক চিত্রঃ

ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, জাতীয় পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দেশের রেশম সরবরাহের একটি বড় অংশ যোগান দেয় এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে সাহায্য করে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীর কেশরহাটে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেলেন ১৭০০ অসহায় মানুষ; উদ্যোক্তাদের প্রশংসায় এলাকাবাসী

error: Content is protected !!

ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা

আপডেট টাইম : ০২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
রনি রজব, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি :

রনি রজবঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা ও সম্ভাবনা দুটোই বেশি। এখানকার মাটি রেশম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এটি বাংলাদেশের প্রায় ৭৫% রেশম উৎপাদন করে।

সরকারি সহায়তা (যেমন: তুঁত চারা ও উপকরণ) এবং বিনা খরচে অধিক লাভের কারণে চাষিরা রেশম চাষে আগ্রহী। যদিও সুতার আমদানি নির্ভরতা আগের তুলনায় কিছুটা কমে যাওয়ায় ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

এই শিল্প গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

চাহিদা ও ঐতিহ্য ও পরিচিতিঃ ভোলাহাট রেশম চাষের ‘মাতৃভূমি’ হিসেবে পরিচিত এবং এটি এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ঐতিহ্য।

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিঃ কম খরচে বেশি লাভ এবং সরকারি সহায়তা (যেমন বিনামূল্যে তুঁত চারা ও উপকরণ) পাওয়ায় চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

কর্মসংস্থানঃ এটি স্থানীয় বহু পরিবারে, বিশেষত নারী ও ভূমিহীনদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।

রেকর্ড উৎপাদনঃ অনুকূল পরিবেশ ও চাষিদের আগ্রহের কারণে ভোলাহাটে রেশম উৎপাদন রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

বর্তমান অবস্থা ও চ্যালেঞ্জঃ

উত্থান-পতনঃ একসময় ব্যাপক উৎপাদন হলেও, কিছু কারণে (যেমন ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, উদাসীনতা) চাষ কমে গিয়েছিল, যা এখন আবার বাড়ছে।

আমদানি নির্ভরতাঃ রেশম বস্ত্রের সুতা এখনো আমদানিনির্ভর, যা একটি চ্যালেঞ্জ।

সরকারি উদ্যোগঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড তুঁত গাছ ও উপকরণ সরবরাহ করে চাষিদের সহায়তা করছে, যা এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করছে।

সামগ্রিক চিত্রঃ

ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, জাতীয় পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দেশের রেশম সরবরাহের একটি বড় অংশ যোগান দেয় এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে সাহায্য করে।