দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আসলাম বেপারীঃ ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের কৃষকগণ মো: জাহাঙ্গীর আলম নামে এক অবসরপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করেছেন। শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে হরিরামপুর ইউনিয়নের সালেপুর মধ্যপাড়া গ্রামের কৃষক কবির মৃধার বাড়ির উঠানে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কৃষক আব্দুল হালিম মৃধা। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষক আব্দুল কুদ্দুস, আইয়ুব মৃধা, রাজিয়া বেগম, কুলসুম আক্তারসহ এলাকার বহু কৃষক-কৃষাণী। বক্তারা বলেন, মো. জাহাঙ্গীর আলম তার দীর্ঘ ৩৩ বছরের কর্মজীবনে কৃষকদের পাশে থেকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি শুধু একজন কর্মকর্তা ছিলেন না, কৃষকদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়েছিলেন। তার নিষ্ঠা, পরামর্শ ও সহযোগিতায় এলাকার কৃষক সমাজ উপকৃত হয়েছে। সভাপতি আব্দুল হালিম মৃধা বলেন, “জাহাঙ্গীর আলম আমাদের পরিবারের একজন সদস্যের মতো ছিলেন। তার মতো একজন সহৃদয় কর্মকর্তা পেয়ে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করি। তাই কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ আমরা সবাই মিলে আজকের এই সংবর্ধনার আয়োজন করেছি।” অবসরপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম সংবর্ধনা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আমি ভাবতেও পারিনি আমার জন্য এমন একটি ভালোবাসা ভরা আয়োজন করা হয়েছে। কেউ আগে কিছু বলেনি, শুধু ডেকেছিল প্রয়োজন আছে বলে। এখানে এসে দেখি আমার জন্য সংবর্ধনা- এটা আমার জীবনের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।” এসময় অনুষ্ঠানের শেষে তাকে ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
আসলাম বেপারীঃ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের কৃষকগণ মো: জাহাঙ্গীর আলম নামে এক অবসরপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করেছেন।
শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে হরিরামপুর ইউনিয়নের সালেপুর মধ্যপাড়া গ্রামের কৃষক কবির মৃধার বাড়ির উঠানে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কৃষক আব্দুল হালিম মৃধা। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষক আব্দুল কুদ্দুস, আইয়ুব মৃধা, রাজিয়া বেগম, কুলসুম আক্তারসহ এলাকার বহু কৃষক-কৃষাণী।
বক্তারা বলেন, মো. জাহাঙ্গীর আলম তার দীর্ঘ ৩৩ বছরের কর্মজীবনে কৃষকদের পাশে থেকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি শুধু একজন কর্মকর্তা ছিলেন না, কৃষকদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়েছিলেন। তার নিষ্ঠা, পরামর্শ ও সহযোগিতায় এলাকার কৃষক সমাজ উপকৃত হয়েছে।
সভাপতি আব্দুল হালিম মৃধা বলেন, “জাহাঙ্গীর আলম আমাদের পরিবারের একজন সদস্যের মতো ছিলেন। তার মতো একজন সহৃদয় কর্মকর্তা পেয়ে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করি। তাই কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ আমরা সবাই মিলে আজকের এই সংবর্ধনার আয়োজন করেছি।”
অবসরপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম সংবর্ধনা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আমি ভাবতেও পারিনি আমার জন্য এমন একটি ভালোবাসা ভরা আয়োজন করা হয়েছে। কেউ আগে কিছু বলেনি, শুধু ডেকেছিল প্রয়োজন আছে বলে। এখানে এসে দেখি আমার জন্য সংবর্ধনা- এটা আমার জীবনের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।”
এসময় অনুষ্ঠানের শেষে তাকে ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।