ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কাছারি পয়রাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রড বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কাছারি পয়রাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে রড বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় একটি রুম নির্মাণ কাজ চলমান আছে। কাজের প্রয়োজনে ভবনের চিলাকোঠা ভেঙ্গে রড ও ইট বাহির করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি কমিটির অনুমোদন ছাড়াই রড ও ইট বিক্রি করে দেয়।
এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য কফিল উদ্দিন বলেন,আমরা ভোট করে স্কুলের কমিটি হয়েছি,হেড ম্যডাম আমাদের কোন কাজ সম্পর্কে জানায় না ,সভাপতি মিলে চিলাকোঠার সমস্ত মালামাল স্থানীয় হফিজুর রহমানের নিকট বিক্রি করে প্রধান শিক্ষক টাকা  আত্মসাৎ করেছে। হাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি রড কিনেছি তবে ওজন করে নেইনি। স্থানীয় ভ্যান চালক শাহ আলম বলেন,তার ভ্যান দিয়ে রড নিয়ে বিক্রি করা হয়।
হাফিজুর রহমান বলেন, হেড ম্যাডাম প্রতিদিন স্কুলে লেট করে আসে, আমাদের সই সাক্ষর ছাড়াই স্কুলের মালামাল বিক্রি করে দেয়। আব্দুল মালেক বলেন, আমরা ভোট করে স্কুলের কমিটি হয়েছি অথচ আমাদের বাদ দিয়ে বিদ্যালয়ের জিনিস বিক্রি করে দিয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। শুধু তাই নয়, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সহ প্রায় অর্ধশত অভিভাবক প্রধান শিক্ষকের অপসারনের দাবি তুলেছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম খাতুন রেখা বলেন,কমিটির অনুমোদন নিয়ে রড বিক্রি করেছি, এ ব্যপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অনুমতি লাগে কি না, জানতে চাইলে তিনি বিলেন, স্কুলের মালামাল বিক্রি করতে শিক্ষা অফিসারের অনুমতি প্রয়োজন হয় না।
সভাপতি শফিকুল ইসলাম বলেন,অভিযোগ কারীদের অবগত করিয়ে মালামাল বিক্রি করেছি এবং ওই টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ের ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,
অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলাহাটে ২১শে পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী

error: Content is protected !!

কাছারি পয়রাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রড বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ১২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০২৩
জেলাল আহম্মদ রানা, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কাছারি পয়রাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে রড বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় একটি রুম নির্মাণ কাজ চলমান আছে। কাজের প্রয়োজনে ভবনের চিলাকোঠা ভেঙ্গে রড ও ইট বাহির করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি কমিটির অনুমোদন ছাড়াই রড ও ইট বিক্রি করে দেয়।
এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য কফিল উদ্দিন বলেন,আমরা ভোট করে স্কুলের কমিটি হয়েছি,হেড ম্যডাম আমাদের কোন কাজ সম্পর্কে জানায় না ,সভাপতি মিলে চিলাকোঠার সমস্ত মালামাল স্থানীয় হফিজুর রহমানের নিকট বিক্রি করে প্রধান শিক্ষক টাকা  আত্মসাৎ করেছে। হাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি রড কিনেছি তবে ওজন করে নেইনি। স্থানীয় ভ্যান চালক শাহ আলম বলেন,তার ভ্যান দিয়ে রড নিয়ে বিক্রি করা হয়।
হাফিজুর রহমান বলেন, হেড ম্যাডাম প্রতিদিন স্কুলে লেট করে আসে, আমাদের সই সাক্ষর ছাড়াই স্কুলের মালামাল বিক্রি করে দেয়। আব্দুল মালেক বলেন, আমরা ভোট করে স্কুলের কমিটি হয়েছি অথচ আমাদের বাদ দিয়ে বিদ্যালয়ের জিনিস বিক্রি করে দিয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। শুধু তাই নয়, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সহ প্রায় অর্ধশত অভিভাবক প্রধান শিক্ষকের অপসারনের দাবি তুলেছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম খাতুন রেখা বলেন,কমিটির অনুমোদন নিয়ে রড বিক্রি করেছি, এ ব্যপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অনুমতি লাগে কি না, জানতে চাইলে তিনি বিলেন, স্কুলের মালামাল বিক্রি করতে শিক্ষা অফিসারের অনুমতি প্রয়োজন হয় না।
সভাপতি শফিকুল ইসলাম বলেন,অভিযোগ কারীদের অবগত করিয়ে মালামাল বিক্রি করেছি এবং ওই টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ের ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,
অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রিন্ট