1. somoyerprotyasha@gmail.com : admi2019 :
  2. letusikder@gmail.com : Litu Sikder : Litu Sikder
  3. mokterreporter@gmail.com : Mokter Hossain : Mokter Hossain
  4. tussharpress@gmail.com : Tusshar Bhattacharjee : Tusshar Bhattacharjee
বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভেড়ামারা মেইন জিকে সেচ প্রকল্পের সেচ কার্যক্রম শুরু মাগুরা শালিখা উপজেলার নব নির্বাচিত মেম্বারও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের শপথ গ্রহণ নগরকান্দায় কুপিয়ে হাত পায়ের রগ কেটে দিলো প্রতিপক্ষরা আলফাডাঙ্গায় ৫০তম জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন ১০ টি বসত বাড়ী নদী গর্ভে, ঝুকিতে রয়েছে থানা, সরকারী স্কুল ভবন ও সদর বাজার ফরিদপুর পৌরসভা কর্তৃক পরিচালিত পৌর প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুর জেলা প্রশাসন স্কুল এন্ড কলেজ : নবসৃষ্টির আলোকবর্তিকা ফরিদপুরে এশিয়ান টিভির দশম বর্ষে পদার্পন অনুষ্ঠান সম্পন্ন মাদক ব্যাবসায়ী যে-ই হোক কোন ছাড় নয়- এমপি নিক্সন চৌধুরী সড়কে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল চালকের

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক

ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৪ বার পঠিত

গত কয়েকদিন ধরে হেফাজত ইসলামের কর্মকাণ্ডে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যেই হঠাৎ করে শনিবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের রিসোর্টে একজন নারীকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে নতুন করে আলোচনায় হেফাজত। মামুনুল হক ওই নারীকে নিজের স্ত্রী পরিচয় দিলেও তা কতটুকু সত্য তা নিয়ে গুঞ্জন দেখা দেয়।

শনিবার বিকাল থেকে রাত, এমনকি পরের দিনও চলছে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে মামুনুল হকের এক ফোনালাপে ওই নারীকে শহিদুল ইসলাম নামে একজনের স্ত্রী হিসেবে বলতে শোনা যায়। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অবশ্য অবরুদ্ধ হওয়া সেই নারীও দাবি করেছেন তিনি মামুনুল হকের স্ত্রী।

এদিকে যাকে নিয়ে এমন আলোচনা সেই মামুনুল হক নিজের ভেরিফায়েড পেজে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টিকে মানবিক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি লেখার শিরোনাম দিয়েছেন- ‘একটি মানবিক বিয়ের গল্প।

বিয়ে নিয়ে মামুনুল হকের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো- হাফেজ শহিদুল ইসলাম আমার ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের একজন। সাংগঠনিক কাজে আমার দু-চারজন সহযোগীর অন্যতম। বেশ পুরোনো আমাদের সম্পর্ক। সম্পর্কের গভীরতা পারিবারিক পরিধি পর্যন্ত। পরিবারসহ একে অপরের বাসায় যাতায়াত আমাদের দীর্ঘদিনের। সেই সূত্রে তার পারিবারিক অভিভাবকত্ব করতাম আমি।

পারিবারিকভাবে খুঁটিনাটি বিষয়ে পরামর্শের জন্য তারা আমার দ্বারস্থ হত। দুই সন্তানের ছোট সংসার নিয়ে চলছিল তাদের জীবন। একটা পর্যায়ে এসে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে শুরু হয় মনোমালিন্য। মনোমালিন্য থেকে বাদানুবাদ এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু। আজ থেকে তিন বছর আগের কথা। তখন তাদের সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি আমি।

তাদের উভয়ের সাথে কথা বলি। কিন্তু কোনভাবেই আর সেটি সম্ভব হয়নি। ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তাদের। ছাড়াছাড়ির পর দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন হাফেজ শহীদুল ইসলাম। সেই বিবাহ আমি পড়াই। তিনি তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে দিনাতিপাত করছেন। সেই ঘরে জন্ম নিয়েছে ফুটফুটে আরেকটি সন্তান। অপরদিকে হাফেজ শহীদ ভাইয়ের স্ত্রী হয়ে যায় অনেকটা অসহায়।

এক রকমের কূলকিনারাহীন। রাগের মাথায় সংসার ভেঙে গভীর সংকটে পড়ে যান তিনি। ওই পরিস্থিতিতে তার জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই তিনি আমার শরণাপণ্ন হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ নেন। আর সেই দুঃসময়ে সহযোগিতা করার মত আমি ছাড়া আর কেউ ছিল না তার। ইসলামী দৃষ্টিকোণ এবং অভিভাবকত্বের জায়গা থেকে আমি তার অর্থনৈতিক দায়িত্ব গ্রহণ করি। জীবনের করণীয় বিষয়ে দিক নির্দেশনার জন্য নিয়মিতই আমার সাথে যোগাযোগ রাখতে হয় তাকে।

এমতাবস্থায় একজন বেগানা নারীর সাথে এভাবে সম্পর্ক রাখাকে শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে আমার কাছে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়। তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই, যতদিন তার অভিভাবকত্বের প্রয়োজন হবে আমার, তাকে বেগানা হিসেবে রেখে অভিভাবকত্ব করবো না বরং ইসলামী শরীয়তের আলোকে বৈধ একটা সম্পর্ক তৈরি করে নেব।

বিষয়টি নিয়ে ঘনিষ্টজনদের সাথে কথা বলি এবং এ বিষয়ে তাদেরকে জানিয়ে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী বিবাহের কালেমা পড়ে বিবাহ করে নেই। দুই বছর যাবত এভাবেই মানবিক ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে আমি তার অভিভাবকত্ব করছি এবং একজন অসহায় নারীর দায়িত্ব গ্রহণ করে একটি পুণ্যের কাজ করেছি বলে বিশ্বাস করি।

আমি যা বললাম এটা আল্লাহর নামের হাজার বার শপথ করে বলতে পারব। বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য কুল্লামার শপথও করতে পারি।

বিষয়টি খোলাসা করার পরেও যুবলীগ আওয়ামী লীগের গুন্ডারা আমার সাথে যে অমানবিক আচরণ করেছে এবং হামলা করেছে, গায়ে হাত তুলেছে, আমি এর বিচার চাই আল্লাহর কাছে প্রশাসনের কাছে এবং জনগণের কাছে।

পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের এই হামলা ও আচরণ প্রমাণ করে বর্তমানে বাংলাদেশে মান-সম্মান কিংবা জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চলাফেরা করা সম্ভব না।


Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

 

 

Copyright August, 2020-2021 @ somoyerprotyasha.com
Website Hosted by: Bdwebs.com
themesbazarsomoyerpr1
error: Content is protected !!