ঢাকা , রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

সালথায় উড়ঁনায় ফাঁস দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বড়বাংরাইল গ্রামে গলায় উড়ঁনার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক প্রবাসীর স্ত্রী মিতু বেগম (২২)।

সোমবার (২২ ফ্রেরুয়ারী) দিবাগত রাতে মিতু বেগম বাবার বাড়ীতে নিজের থাকার ঘরের আড়াঁর সাথে উড়ঁনা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। সে বড়বাংরাইল গ্রামের বকুল মোল্যার মেয়ে এবং কুয়েত প্রবাসী মানিকগঞ্জ জেলার মারুফ মিয়ার স্ত্রী।

জানা গেছে, মিতু বেগমের ও কুয়েত প্রবাসী মারুফ মিয়ার ৪ বছরের দাম্পত্য জীবন । মিতুর স্বামী কুয়েতে যাওয়ার পর থেকে বাবার বাড়ি থেকে লেখাপড়া চালিয়ে চাচ্ছিল। সে উপজেলার নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ডিগ্রি অধ্যায়নরত ছিলেন।

মিতুর পরিবার জানায়, প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে রাত ৯ টার দিকে নিজের ঘরে ঘুমোতে যায় এবং সে ঘুমিয়ে পড়ে।

পরের দিন মঙ্গলবার সকালে তাকে ঘুম থেকে ডাকতে গেলে তার কোন সাড়া মেলেনি। একাধিকবার ডাকলেও সে আর ঘুম থেকে উঠেনি। পরে প্রতিবেশিরা এগিয়ে গিয়ে রুমের দরজা ভেঙ্গে দেখে ঘরের আড়াঁর সাথে নিজের উড়ঁনা পেঁচিয়ে ঝুলছে।

স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তবে কি কারনে আত্মহত্যা করেছে তার সঠিক কোন কারন জানা যায়নি।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ সুব্রত গোলদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারন নির্নয়ের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

সালথায় উড়ঁনায় ফাঁস দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট টাইম : ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বড়বাংরাইল গ্রামে গলায় উড়ঁনার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক প্রবাসীর স্ত্রী মিতু বেগম (২২)।

সোমবার (২২ ফ্রেরুয়ারী) দিবাগত রাতে মিতু বেগম বাবার বাড়ীতে নিজের থাকার ঘরের আড়াঁর সাথে উড়ঁনা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। সে বড়বাংরাইল গ্রামের বকুল মোল্যার মেয়ে এবং কুয়েত প্রবাসী মানিকগঞ্জ জেলার মারুফ মিয়ার স্ত্রী।

জানা গেছে, মিতু বেগমের ও কুয়েত প্রবাসী মারুফ মিয়ার ৪ বছরের দাম্পত্য জীবন । মিতুর স্বামী কুয়েতে যাওয়ার পর থেকে বাবার বাড়ি থেকে লেখাপড়া চালিয়ে চাচ্ছিল। সে উপজেলার নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ডিগ্রি অধ্যায়নরত ছিলেন।

মিতুর পরিবার জানায়, প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে রাত ৯ টার দিকে নিজের ঘরে ঘুমোতে যায় এবং সে ঘুমিয়ে পড়ে।

পরের দিন মঙ্গলবার সকালে তাকে ঘুম থেকে ডাকতে গেলে তার কোন সাড়া মেলেনি। একাধিকবার ডাকলেও সে আর ঘুম থেকে উঠেনি। পরে প্রতিবেশিরা এগিয়ে গিয়ে রুমের দরজা ভেঙ্গে দেখে ঘরের আড়াঁর সাথে নিজের উড়ঁনা পেঁচিয়ে ঝুলছে।

স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তবে কি কারনে আত্মহত্যা করেছে তার সঠিক কোন কারন জানা যায়নি।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ সুব্রত গোলদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারন নির্নয়ের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।