ঢাকা , রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

ভাঙ্গায় ছেলের হাতে বাবা খুন

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ছেলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কিবরিয়া ফকির (৪৫) নামের এক বাবা খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ৮:৩০ টায় পৌরসভার ছিলাধরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে ধারালো ছুড়ি দিয়ে পিতাকে আঘাত করে নাঈম ফকির (১৭)। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশীরা জানান, কিবরিয়া মাঝেমধ্যেই নেশাগ্রস্ত হয়ে তার স্ত্রীকে মারধর করত। এই নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। নিহতের বোন রাবেয়া বেগম জানান, তিনি খবর পেয়ে ভাইয়ের (কিবরিয়া) লাশ দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন, কিন্তু তার ভাইয়ের মৃত্যুর ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। নিহতের স্ত্রী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: জিয়ারুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে জানান, পারিবারিক কলহে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। পরে খবর পেয়ে আমিসহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

ভাঙ্গায় ছেলের হাতে বাবা খুন

আপডেট টাইম : ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ছেলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কিবরিয়া ফকির (৪৫) নামের এক বাবা খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ৮:৩০ টায় পৌরসভার ছিলাধরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে ধারালো ছুড়ি দিয়ে পিতাকে আঘাত করে নাঈম ফকির (১৭)। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশীরা জানান, কিবরিয়া মাঝেমধ্যেই নেশাগ্রস্ত হয়ে তার স্ত্রীকে মারধর করত। এই নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। নিহতের বোন রাবেয়া বেগম জানান, তিনি খবর পেয়ে ভাইয়ের (কিবরিয়া) লাশ দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন, কিন্তু তার ভাইয়ের মৃত্যুর ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। নিহতের স্ত্রী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: জিয়ারুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে জানান, পারিবারিক কলহে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। পরে খবর পেয়ে আমিসহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।