1. somoyerprotyasha@gmail.com : A.S.M. Murshid :
  2. letusikder@gmail.com : Litu Sikder : Litu Sikder
  3. mokterreporter@gmail.com : Mokter Hossain : Mokter Hossain
  4. tussharpress@gmail.com : Tusshar Bhattacharjee : Tusshar Bhattacharjee
১২০ বছর ধরে পানির নিচে মসজিদ, তবুও অক্ষত - দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডটকম
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুর শহর দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত দেশ ব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে  বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির মানববন্ধন অনুষ্ঠিত অক্টোবর সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে লায়ন্স ক্লাব অফ ফরিদপুর উদ্যোগে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ খোকসায় শারদীয় দূর্গা পূজার উদযাপন কমিটির সাথে মত বিনিময় সভা শ্রীশ্রী দুর্গা দেবীর শুভগমন উপলক্ষে শারদীয়া ধর্মীয় আলোচনা, বস্ত্র বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  রহনপুর স্টেশন পরিদর্শন করলেন রেলপথ সচিব নলছিটিতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কবরস্থানের গেট সংস্কার দুস্থ ও পথশিশুদের পাশে খাবার নিয়ে  ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটির কর্মীরা বন্ধুর হয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিতে এসে কলেজ ছাত্রের এক বছরের কারাদন্ড আলফাডাঙ্গায় ৪ কেজি গাঁজাসহ মা-ছেলে আটক

১২০ বছর ধরে পানির নিচে মসজিদ, তবুও অক্ষত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৫ বার পঠিত
- পানির নিচ থেকে যেন উঠে এসেছে ১২০ বছরের পুরোনো এই মসজিদ।

গত বুধবার কাশ্মির মিডিয়া সার্ভিসের এক খবরে বলা হয়, ভারতের বিহার রাজ্যের নওয়াদা জেলার চিরাইলা গ্রামে ফুলওয়ারিয়া বাঁধের পানি খরার প্রভাবে সম্প্রতি শুকিয়ে যেতে শুরু করে। এর আগে যখন পানির স্তর কমে যেত, তখন মসজিদের গম্বুজের একটা অংশ দেখা যেত। ফলে কৌতুহল জাগলেও এটি ঠিক কী জিনিস তা অনেকেই বুঝতে পারেনি। এবার পানি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ মসজিদটির দেখা মেলে।

স্থানীয় প্রবীণরা জানান, মসজিদটি বিংশ শতকের প্রথমদিকে নির্মিত হয়। মুঘল রীতিতে নির্মিত মসজিদটির বয়স এখন প্রায় ১২০ বছর। স্থানীয়রা এ মসজিদের নাম দিয়েছিল নূরী মসজিদ। মাটি থেকে গম্বুজ পর্যন্ত মসজিদর উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট।

-পাখির চোখে নূরী মসজিদ।

১৯৭৯ সালে এখানে ফুলওয়ারিয়া ড্যাম নির্মাণ শুরু হয়। সে সময় এ এলাকায় প্রচুর মুসলমান বসবাস করত। এ মসজিদে তারা নিয়মিত নামায আদায় করতেন। কিন্তু সরকার বাঁধ নির্মাণ শুরু করলে মুসলমানদেরকে এই জায়গা ছেড়ে উঠে যেতে হয়। সরকার পুরো জায়গাটি অধিগ্রহণ করে গ্রামবাসীকে অন্য একটি গ্রামে স্থানান্তর করে। বাঁধ নির্মাণের সময় প্রয়োজন না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ মসজিদটির কোনো ক্ষতি করেনি।

বাঁধের পানি শুকিয়ে গেলেও পুরো এলাকা কাদাময় হয়ে আছে। কিন্তু এরমধ্যে কৌতুহলী মুসলমানরা কাঁদা মাড়িয়ে মসজিদে প্রবেশ করে। তারা দেখতে পান মসজিদটি পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে। কয়েক দশক ধরে ডুবে থাকলেও কাঠামোর সামান্যতম ক্ষতি হয়নি।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

 

 

Copyright August, 2020-2022 @ somoyerprotyasha.com
Website Hosted by: Bdwebs.com
themesbazarsomoyerpr1
error: Content is protected !!