1. somoyerprotyasha@gmail.com : A.S.M. Murshid :
  2. letusikder@gmail.com : Litu Sikder : Litu Sikder
  3. mokterreporter@gmail.com : Mokter Hossain : Mokter Hossain
  4. tussharpress@gmail.com : Tusshar Bhattacharjee : Tusshar Bhattacharjee
এক ঘণ্টাও বাঁচবে না জেনে সন্তানের জন্ম দিলেন মা - দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডটকম
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়ীয়ায় বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় সামাজিক নিরাপত্তা ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং আসন্ন শারদীয়া দুর্গাপূজার নিরাপত্তা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসনে মিনা দিবসে র‌্যালি ও পুরুস্কার বিতরন সদরপুরে মিনা দিবস উদযাপিত কুমিরাদহে জমি রেজিষ্ট্রি নিয়ে দ্বন্দ্বে বড় ভাই কর্তৃক ছোট ভাইকে কুপিয়ে জখম  গোমস্তাপুরে মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মহম্মদপুরে শিবির-ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মী দিয়ে স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি গঠনঃ ক্ষোভে ত্যাগী নেতাদের পদত্যাগের হিড়িক অপারেশনে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক বন্ধ করে পালালো মালিক চিকিৎসক  সাদিয়া এগ্রো নিউ হোপ ফিড মিলের সেমিনার  রাজশাহী বিভাগের বিশিষ্টজনের সাথে মত বিনিময় সভা করেছেন বিএনপি মিডিয়া সেল

এক ঘণ্টাও বাঁচবে না জেনে সন্তানের জন্ম দিলেন মা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৩৮৬ বার পঠিত

গর্ভাবস্থার ১৮ সপ্তাহে জেনেছিলেন দুঃসংবাদ। যে সন্তানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন জন্মের পরে এক ঘণ্টাও বাঁচবে না সে। টেনেসির ক্রিস্টা ডেভিস ও তার প্রেমিক ডেরেক লভেটকে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, বিরল রোগে আক্রান্ত ক্রিস্টার গর্ভের সন্তান। এ কারণে তার মস্তিষ্ক ও করোটির কিছুটা অংশ তৈরি হবে না কখনওই।

তাদের সামনে দু’টি পথ খোলা ছিল। সময়ের আগেই শিশুটিকে বের করে আনা। নয়তো, শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করা। দ্বিতীয় পথটাই বেছে নিলেন বাবা-মা। সাথে এটাও সিদ্ধান্ত নিলেন যে, জন্মের পরে শিশুটির অঙ্গদান করে দেবেন তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা ক্রিস্টা বলেন, চিকিৎসকরা বলেই দিয়েছিলেন নাড়ি কাটার পরে ও এক ঘণ্টাও বাঁচবে না। আমরা ঠিক করি, যদি মেয়েকে বাড়ি না নিয়ে যেতে পারি তবুও ওকে পৃথিবীতে আনবই। মা হিসেবে খুব কঠিন ছিল সেই সিদ্ধান্ত।

শিশুটি বাঁচবে না এই ধারণা নিয়ে নাড়ি কাটার আগে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সব আশঙ্কা উড়িয়ে, বাবা-মাকে অবাক করে জন্মের পরে একাই শ্বাস নিতে থাকে সে। তাকে আলাদা করে রাখতে হয়নি বরং জন্মের পর সাতদিন সে তার বাবা-মায়ের সঙ্গেই ছিল।

জন্মের পরে এই ধরনের শিশুর বাঁচার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। ফলে অঙ্গদানের জন্য অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মুখ উপরের দিকে করে জন্মানোয় বেঁচে যায় রায়েলি। বাকি শিশুদের মতো মুখ নিচের দিকে থাকলে আশা ছিল না। তবে জন্মের মাত্র এক সপ্তাহ পরেই নতুন বছরে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় রায়েলি। তার হৃৎপিন্ডের দু’টি ভাল্ব অন্য দুই শিশুকে দেওয়া হয়েছে আর ফুসফুস গবেষণার জন্য দান করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

 

 

Copyright August, 2020-2022 @ somoyerprotyasha.com
Website Hosted by: Bdwebs.com
themesbazarsomoyerpr1
error: Content is protected !!