রনি রজবঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট ও বিলভাতিয়ার ঐতিহ্য বলতে মূলত এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য (বিলভাতিয়া), আম ও রেশম চাষের সমৃদ্ধি, ঐতিহাসিক গৌড়ের সান্নিধ্য, মহানন্দা নদীর প্রভাব এবং প্রাচীন স্থাপনা ও হাট-বাজারকে বোঝানো হয়, যা উপজেলাটির অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিল বিলভাতিয়া তার জীববৈচিত্র্য ও অপরূপ নিসর্গের জন্য বিখ্যাত, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করে।
মূল ঐতিহ্যসমূহ:
বিলভাতিয়া: ১৯ হাজার বিঘারও বেশি আয়তনের এই বিলটি জীববৈচিত্র্য, দেশি মাছ ও জলজ উদ্ভিদে ভরপুর এবং অতিথি পাখির বিচরণক্ষেত্র, যা পর্যটনের অপার সম্ভাবনা বহন করে।
আম ও রেশম: ভোলাহাট উন্নতমানের আম ও রেশম চাষের জন্য পরিচিত, যা এখানকার অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখে।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব: এটি প্রাচীন গৌড় নগরীর উপশহর ছিল এবং মহানন্দা নদীর পলিগঠিত উর্বর ভূমি (দিয়াড়) রেশম ও নীল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত ছিল।
শিল্প ও সংস্কৃতি: রেশম বোর্ড, কুটিয়াল বণিকদের গুটি শুকানোর মেশিন এবং প্রাচীন মসজিদ ও হাট-বাজার এখানকার সংস্কৃতির অংশ।
ভৌগোলিক অবস্থান: এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী হওয়ায় এর একটি স্বতন্ত্র ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রয়েছে।
সংক্ষেপে, বিলভাতিয়ার প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য এবং আম-রেশমের অর্থনৈতিক গুরুত্বের সাথে মিশে আছে এর প্রাচীন ইতিহাস ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য, যা ভোলাহাটকে একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে পরিচিত করেছে।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার 
রনি রজব, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি 





















