হুমায়ুন কবির তুহিনঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন-২১৪ (ফরিদপুর-৪) আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৫ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। গণ প্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও ১৯৭২) আর্টিকেল ৪৪ এর তিন ধারায় বলা হয়েছে কোন প্রার্থী যদি তার নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের ১২ দশমিক ৫ এর ভোট কম পান তাহলে তার তার জমা দেওয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হবে, যা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-৪ আসনে বিজয়ী ও নিকটতম দুইজন প্রার্থী বাদে অন্য ৫ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-৪ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৯৯২টি। জামানত রক্ষা করতে ভোটের প্রয়োজন ৩৪ হাজার ৩৭৪টি ভোট। এ আসনে মোট আটজন প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং নিকটতম দুই প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. সরোয়ার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এএএম মুজাহিদ বেগ (ফুটবল) এর জামানত রক্ষা পেয়েছে।
জামানত জব্দ হয়েছে বাকি পাঁচ প্রার্থীর। এরা হলেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পর্টি আতাউর রহমান (কাস্তে) ৭১৪ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মিজানুর রহমান (রিকশা) ১ হাজার ১১৮ ভোট, স্বতন্ত্র মুহাম্মাদ মজিবুর হোসাইন (ঘোড়া) ১ হাজার ৭০৪ ভোট, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মো. ইসাহাক চোকদার (হাতপাখা) ১১ হাজার ৪৯৮ এবং জাতীয় পার্টির রায়হান জামিল (লাঙ্গল) ৫৫০ ভোট।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দাযিত্বে নিয়োজিত ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, ফরিদপুর-৪ আসনে ৮ জন প্রার্থীর মধ্য অনেক প্রার্থী অনেক কম ভোট পেয়েছেন। তাদের মধ্যে যারা জামানত ফেরত পাবেন না তাদের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 




















