জসীমউদ্দিন ইতিঃ
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, মির্জা ফখরুল পেয়েছেন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট এবং দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট। অর্থাৎ, ৯৭ হাজার ৭১৯ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।
জামায়াতের পরাজয়ের নেপথ্যে প্রধান কারণ
হেভিওয়েট প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজঃ
এই আসনটি দীর্ঘকাল ধরে মির্জা ফখরুলের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় ভোটারদের ওপর তাঁর ব্যক্তিগত প্রভাব ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কাছে জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন সাংগঠনিকভাবে শক্ত অবস্থানে থাকলেও জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে ছিলেন।
ভোটের মেরুকরণ ও ধানের শীষের আবেদনঃ
জুলাই বিপ্লব পরবর্তী প্রথম এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় মূল লড়াইটি হয় বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। তবে সাধারণ ভোটাররা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ এবং ভাসমান ভোটাররা বিএনপির “ধানের শীষ” প্রতীককে বেশি নিরাপদ ও বিকল্প মনে করেছেন।
সংখ্যালঘু ভোটারদের ভূমিকাঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছেন। নির্বাচনের আগে বিএনপি ও জামায়াত উভয় পক্ষই তাঁদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিলেও, পরিসংখ্যান বলছে সংখ্যালঘু ভোটারদের সিংহভাগই জামায়াতের চেয়ে বিএনপির পক্ষে রায় দিয়েছেন।
নির্বাচনকালীন বিতর্ক ও আটককাণ্ডঃ
নির্বাচনের ঠিক একদিন আগে ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে অর্থসহ আটকের ঘটনাটি নির্বাচনী প্রচারণায় জামায়াতকে নৈতিকভাবে কিছুটা চাপে ফেলে দেয়। জামায়াত একে ‘সাজানো নাটক’ দাবি করলেও সাধারণ ভোটারদের মনে এর কিছুটা প্রভাব পড়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
সাংগঠনিক সমন্বয়হীনতাঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের তিনটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের নিরঙ্কুশ জয়ের পেছনে দলটির তৃণমূল পর্যায়ের ঐক্যবদ্ধ প্রচার কাজ করেছে। অন্যদিকে, জামায়াত এককভাবে লড়াই করায় বিএনপির বিশাল ভোটব্যাংক ভাঙা তাদের জন্য সম্ভব হয়নি।
শেষ নির্বাচন’ ও আবেগের জায়গাঃ
নির্বাচনী প্রচারণার সময় মির্জা ফখরুল ঘোষণা করেছিলেন এটি তাঁর “শেষ নির্বাচন”। এই আবেগঘন বার্তাটি ঠাকুরগাঁওয়ের তরুণদের মধ্যে কাজ করেছে। অনেক তরুণ মনে করেছেন, এলাকার অভিভাবক হিসেবে এবং জাতীয় রাজনীতিতে ঠাকুরগাঁওয়ের গুরুত্ব ধরে রাখতে ফখরুল সাহেবকে শেষবারের মতো সম্মান জানানো উচিত। দেলাওয়ার হোসেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ পড়ে থাকলেও ফখরুলের জন্য এটি ছিল ‘সম্মানের লড়াই’।
জুলাই বিপ্লব ও নেতৃত্বের স্থিতিশীলতাঃ
২০২৪-এর জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে তরুণরা পরিবর্তনের পক্ষে থাকলেও তারা একই সাথে একটি স্থিতিশীল ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের খোঁজ করছিল। তরুণ ভোটারদের একটি বড় অংশ মনে করেছে, রাষ্ট্র সংস্কারের এই কঠিন সময়ে জামায়াতের তরুণ নেতার চেয়ে বিএনপির অভিজ্ঞ মহাসচিব জাতীয় পর্যায়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
ভোটের হিসেব ও ‘কৌশলগত ভোট’ঃ
তরুণরা এখন খুব সচেতন। তারা দেখেছে যে বিএনপি একটি বিশাল রাজনৈতিক শক্তি। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির শক্ত ভিত্তির বিপরীতে জামায়াতকে ভোট দেওয়া মানে ভোট ভাগ হওয়া। অনেক তরুণ ভোটার মনে করেছেন, ভোট যাতে নষ্ট না হয় এবং কোনো বিশেষ পক্ষ যাতে সুযোগ না পায়, সেজন্য তারা এককভাবে শক্তিশালী প্রার্থী মির্জা ফখরুলকেই সমর্থন দিয়েছেন।
নেতৃত্বের পরম্পরা বনাম নতুন মুখঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের তরুণ ভোটারদের একটি বড় অংশ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুধু একজন নেতা নয়, বরং জেলার “অভিভাবক” হিসেবে দেখে। দেলাওয়ার হোসেন শিবিরের সাবেক সফল সভাপতি হিসেবে পরিচিত হলেও ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের জনপ্রিয়তার সামনে “নতুন মুখ” হিসেবেই বিবেচিত হয়েছেন। তরুণরা অনেক সময় বড় পরিবর্তনের চেয়ে পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখা নিরাপদ মনে করেছে।
আদর্শিক বিবর্তন ও জুলাই বিপ্লবের প্রভাবঃ
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে তরুণরা যে “নতুন বাংলাদেশ” এর স্বপ্ন দেখেছে, সেখানে তারা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় বা কট্টর মতাদর্শের চেয়ে “অন্তর্ভুক্তিমূলক” (Inclusive) রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। দেলাওয়ার হোসেন ব্যক্তিগতভাবে স্মার্ট এবং আধুনিক বক্তা হলেও জামায়াতের দলীয় আদর্শ এবং শিবিরের সাবেক নেতা হিসেবে তাঁর “পুরানো পরিচয়” সাধারণ (অরাজনৈতিক) তরুণদের বড় একটি অংশকে টানতে ব্যর্থ হয়েছে।
কৌশলগত ভোট (Strategic Voting)ঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কার বেশি, সেটি তরুণ ভোটাররা খুব ভালোভাবেই হিসাব করেছে। তারা দেখেছে, মির্জা ফখরুলকে ভোট দিলে জয় নিশ্চিত এবং তিনি জাতীয় সংসদে ঠাকুরগাঁওয়ের জোরালো প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন। দেলাওয়ার হোসেনকে ভোট দিয়ে ভোট নষ্ট করার ঝুঁকি অনেক সচেতন তরুণই নিতে চায়নি।
স্থানীয় কানেকশন বনাম ঢাকা কেন্দ্রিক রাজনীতিঃ
দেলাওয়ার হোসেন দীর্ঘ সময় ঢাকা কেন্দ্রিক রাজনীতিতে (ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ) সক্রিয় ছিলেন। নির্বাচনের আগে ঠাকুরগাঁওয়ে তাঁর সক্রিয়তা বাড়লেও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি “মাটির মানুষ” হিসেবে মির্জা ফখরুলের মতো এতোটা আপন হয়ে উঠতে পারেননি। তরুণ ভোটাররা এমন কাউকে চায় যাকে তারা সবসময় পাশে পাবে।
বিএনপির “তারুণ্য নির্ভর” প্রচারণাঃ
এবারের নির্বাচনে বিএনপি তরুণ ভোটারদের টানতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং আধুনিক নির্বাচনী প্রচারণায় অনেক বেশি বিনিয়োগ করেছে। বিপরীতে জামায়াত কর্মী-নির্ভর (Door-to-door) প্রচারণায় সফল হলেও সাধারণ বা ভাসমান তরুণ ভোটারদের সাথে ডিজিটাল কানেকশন তৈরিতে পিছিয়ে ছিল।
১ লাখ ৩৯ হাজার ভোটের শক্তিঃ
মির্জা ফখরুলের মতো জাতীয় পর্যায়ের এক হেভিওয়েট নেতার বিপক্ষে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৯ ভোট পাওয়া কোনো ছোট ঘটনা নয়। এটি প্রমাণ করে যে ঠাকুরগাঁওয়ে জামায়াতের একটি সুসংহত এবং শক্তিশালী ভোটব্যাংক তৈরি হয়েছে। আগামী ৫ বছর যদি তিনি এই বিশাল জনসমর্থনকে ধরে রাখতে পারেন, তবে পরবর্তী নির্বাচনে তিনি মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি বা অন্য যেকোনো প্রার্থীর জন্য প্রধান ভীতি হয়ে দাঁড়াবেন।
তারুণ্যের আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠাঃ
দেলাওয়ার হোসেন ব্যক্তিগতভাবে স্মার্ট, উচ্চশিক্ষিত এবং একজন দক্ষ বক্তা। শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে তাঁর মধ্যে সাংগঠনিক দক্ষতা প্রখর। ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষিত বেকার তরুণদের নিয়ে তাঁর যে পরিকল্পনা (যেমন—শিক্ষা শহর গড়ে তোলা, আইটি পার্ক), তা যদি তিনি জনপ্রতিনিধি না হয়েও ব্যক্তিগত বা দলীয় উদ্যোগে কিছুটা বাস্তবায়ন করতে পারেন, তবে আগামীতে তরুণরা তাঁর দিকে আরও বেশি ঝুঁকবে।
স্থানীয় নেতৃত্বে মনোযোগঃ
এতদিন তিনি ঢাকা কেন্দ্রিক রাজনীতিতে (ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ) বেশি পরিচিত ছিলেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছেন। আগামী রাজনীতিতে তাঁকে যদি “মাটির মানুষ” হিসেবে এলাকায় নিয়মিত সময় দিতে দেখা যায়, তবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতের অবস্থান বিএনপির বিকল্প শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে প্রভাবঃ
নির্বাচনে হারলেও এত বড় ভোটব্যাংক নিজের বাক্সে নেওয়ায় দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দেলাওয়ার হোসেনের গুরুত্ব বাড়বে। তিনি সম্ভবত জামায়াতের আগামী দিনের নীতিনির্ধারক হিসেবে আরও বড় কোনো পদে আসার সুযোগ পাবেন। তাঁর এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জামায়াত হয়তো উত্তরাঞ্চলে তাদের অবস্থান আরও সংহত করার চেষ্টা করবে।
দেলাওয়ার হোসেনকে ‘ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব’ হিসেবে দেখাঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকরা দেলাওয়ার হোসেনকে ঠাকুরগাঁওয়ে মনোনয়ন দিয়েছিলেন একজন ‘টেস্ট কেস’ হিসেবে। মির্জা ফখরুলের মতো হেভিওয়েট নেতার বিপক্ষে ১ লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোট পাওয়াকে তারা একটি নৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে। কেন্দ্রীয় জামায়াতের বিশ্বাস, দেলাওয়ার হোসেন ঠাকুরগাঁওয়ে জামায়াতের একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে পেরেছেন যা আগামী ৫-১০ বছরের রাজনীতিতে ফল দেবে।
ভোটের ব্যবধান নিয়ে অসন্তোষ ও বিচার-বিশ্লেষণঃ
প্রকাশ্যে তারা ফলাফল মেনে নিলেও, দলীয় ফোরামে ভোটের ব্যবধান নিয়ে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ চলছে। বিশেষ করে ৫ হাজারের কম ভোটে হারা ৫৩টি আসনের একটি তালিকা নিয়ে জামায়াত সরব। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ব্যবধান বেশি হলেও, কেন্দ্রীয় জামায়াত মনে করে প্রশাসনের কিছু বিতর্কিত পদক্ষেপ (যেমন জেলা আমিরকে আটক) এবং প্রচারণায় বাধার কারণে তারা পূর্ণ শক্তি কাজে লাগাতে পারেনি।
“নতুন বাংলাদেশ” ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিঃ
কেন্দ্রীয় জামায়াত এখন ‘সেকুলার ও ইয়ুথ’ ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। দেলাওয়ার হোসেনের মতো তরুণ নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া ছিল সেই পরিকল্পনার অংশ। কেন্দ্রীয় ভাবনায় আছে যে, দেলাওয়ার হোসেনের মাধ্যমে তারা ঠাকুরগাঁওয়ের অরাজনৈতিক ও তরুণ ভোটারদের একটি অংশকে টানতে পেরেছে, যা দলের প্রথাগত ইমেজ পরিবর্তনে সাহায্য করছে।
একক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের লক্ষ্যঃ
বিএনপির সাথে যুগপৎ আন্দোলন করলেও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখন নিজেদের ‘বিকল্প শক্তি’ হিসেবে দাঁড় করাতে চায়। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের লড়াইয়ে তারা বিএনপিকে কোনো ছাড় না দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছে যে, জামায়াত এখন আর কারও ‘লেজুড়বৃত্তি’ করা দল নয়। কেন্দ্রীয় জামায়াত চায় দেলাওয়ার হোসেন যেন ঠাকুরগাঁও ছাড়েন না দিয়ে সেখানেই অবস্থান করেন এবং সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যান।
সংখ্যালঘুদের আস্থা অর্জনঃ
দেলাওয়ার হোসেন নির্বাচনী প্রচারণায় সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তার যে আশ্বাস দিয়েছিলেন, তা কেন্দ্রীয় জামায়াতের একটি সুচিন্তিত কৌশল ছিল। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মনে করে, ঠাকুরগাঁওয়ে এই ‘ইনক্লুসিভ’ বার্তা ভবিষ্যতে দলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে।
চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতাঃ
তবে তাঁর পথের কাঁটা হতে পারে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান। ফখরুল সাহেবের পরবর্তী সময়ে বিএনপিও সেখানে নতুন নেতৃত্ব আনবে। এছাড়া যদি তিনি শুধুমাত্র দলীয় বৃত্তের বাইরে গিয়ে সাধারণ ও নিরপেক্ষ ভোটারদের মন জয় করতে না পারেন, তবে এই ১ লাখ ৩৯ হাজার ভোটের গণ্ডি পার হওয়া তাঁর জন্য কঠিন হবে। এক কথায়, দেলাওয়ার হোসেনের রাজনীতি এখন আর শুধু ঠাকুরগাঁও সদর কেন্দ্রিক নয়, বরং এটি জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতির মহড়ায় পরিণত হয়েছে। নির্বাচনে জয় না পেলেও তিনি নিজেকে মির্জা ফখরুলের পর এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সর্বোচ্চ সহযোগিতা করলে আগামীতে জামায়াতের এই প্রভাবশালী নেতাকে পরাজয় করা হিমালয় পাহাড়ের সমতুল্য হবে বলে আশা করেন ঠাকুরগাঁও তৃনমুল জনগন।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার 
জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি 




















