ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী পাঁচই নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক স্তরের সব পাঠ্যবই মুদ্রণ ও সরবরাহ কাজ সম্পূর্ণ করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সম্প্রতি রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় অবস্থিত বেশ কয়েকটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। সংশ্লিষ্টরা যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেন, সে বিষয়ে তাদের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম, ব্যবহার করা যন্ত্রপাতি, কাগজের মান এবং বইয়ের ছাপার গুণগত মান অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বা এনসিটিবি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বইয়ের পাতার মান থেকে শুরু করে বাঁধাইয়ের কাজ পর্যন্ত সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা তিনি সরাসরি খতিয়ে দেখেন।

পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া মান ও স্পেসিফিকেশন কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে আগামী বছর থেকে পুরোনো ও ত্রুটিপূর্ণ মেশিন ব্যবহার করে কোনো মুদ্রণকাজ করা যাবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাদের ভবিষ্যতে আর কোনো কাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। বইয়ের মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থই হলো নির্ধারিত সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজটি সফলভাবে শেষ করা।

মুদ্রণযন্ত্রের যান্ত্রিক সক্ষমতা বা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাত দেখিয়ে কখনোই বইয়ের মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন প্রতিমন্ত্রী। সরকার যে মানের বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, তা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোরই। পরিদর্শনের সময় কয়েকটি বইয়ের পাতার রঙের বিন্যাস এবং অ্যালাইনমেন্টে কিছু অসংগতি বা ত্রুটি দেখতে পান তিনি। এই ধরনের ছোট ভুল যেন উৎপাদিত বইয়ের বড় অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে তিনি মুদ্রণ কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে আগ্রহী কানাডা

error: Content is protected !!

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী পাঁচই নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক স্তরের সব পাঠ্যবই মুদ্রণ ও সরবরাহ কাজ সম্পূর্ণ করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সম্প্রতি রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় অবস্থিত বেশ কয়েকটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। সংশ্লিষ্টরা যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেন, সে বিষয়ে তাদের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম, ব্যবহার করা যন্ত্রপাতি, কাগজের মান এবং বইয়ের ছাপার গুণগত মান অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বা এনসিটিবি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বইয়ের পাতার মান থেকে শুরু করে বাঁধাইয়ের কাজ পর্যন্ত সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা তিনি সরাসরি খতিয়ে দেখেন।

পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া মান ও স্পেসিফিকেশন কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে আগামী বছর থেকে পুরোনো ও ত্রুটিপূর্ণ মেশিন ব্যবহার করে কোনো মুদ্রণকাজ করা যাবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাদের ভবিষ্যতে আর কোনো কাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। বইয়ের মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থই হলো নির্ধারিত সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজটি সফলভাবে শেষ করা।

মুদ্রণযন্ত্রের যান্ত্রিক সক্ষমতা বা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাত দেখিয়ে কখনোই বইয়ের মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন প্রতিমন্ত্রী। সরকার যে মানের বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, তা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোরই। পরিদর্শনের সময় কয়েকটি বইয়ের পাতার রঙের বিন্যাস এবং অ্যালাইনমেন্টে কিছু অসংগতি বা ত্রুটি দেখতে পান তিনি। এই ধরনের ছোট ভুল যেন উৎপাদিত বইয়ের বড় অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে তিনি মুদ্রণ কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দেন।