ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

অভিযোগ আছে—অনেক বিচারক দুই-তিন ঘণ্টা আদালত করেন: আইনমন্ত্রী

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং বিচারিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বাড়াতে কড়া বার্তা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সম্প্রতি রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিচারকদের সময়মতো দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এ সময় কিছু বিচারকের বিরুদ্ধে কম সময় আদালত পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, নির্দিষ্ট কিছু স্থানে বিচারকদের কেউ কেউ প্রতিদিন মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা আদালতের কাজ পরিচালনা করে থাকেন। তারা অনেক ক্ষেত্রে বেলা ১১টার দিকে আদালতে আসেন এবং দুপুর দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যেই বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে চলে যান। এই ধরনের কর্মপদ্ধতি বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায় এবং বিচারব্যবস্থার সামগ্রিক কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে তিনি মনে করেন।

অনুষ্ঠানে দেশের তরুণ বিচারকদের ভূয়সী প্রশংসা করে আইনমন্ত্রী জানান যে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিচারব্যবস্থাকে আধুনিক করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল খাতকে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, তরুণ বিচারকেরা যথেষ্ট স্মার্ট এবং তারা এই প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ সাফল্যের সঙ্গেই মোকাবিলা করবেন। বিচার বিভাগকে সাধারণ মানুষের পূর্ণ আস্থা ও ভরসার প্রতীকে পরিণত করতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিচার বিভাগের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ছেচল্লিশ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ মামলার জট দূর করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং সরকার এই চাপ কমাতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যেই ই-জামিন বা ই-বেইল বন্ড চালুর ফলে সাধারণ মানুষ সুফল পেতে শুরু করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিচারপ্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সাক্ষ্য গ্রহণ এবং হাজিরা দেওয়ার পদ্ধতিতেও আধুনিকায়ন আনা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

২০ বছর আগে চুরি যাওয়া শিল্পকর্ম উদ্ধার করে দিল এআই

error: Content is protected !!

অভিযোগ আছে—অনেক বিচারক দুই-তিন ঘণ্টা আদালত করেন: আইনমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ৫৫ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং বিচারিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বাড়াতে কড়া বার্তা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সম্প্রতি রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিচারকদের সময়মতো দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এ সময় কিছু বিচারকের বিরুদ্ধে কম সময় আদালত পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, নির্দিষ্ট কিছু স্থানে বিচারকদের কেউ কেউ প্রতিদিন মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা আদালতের কাজ পরিচালনা করে থাকেন। তারা অনেক ক্ষেত্রে বেলা ১১টার দিকে আদালতে আসেন এবং দুপুর দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যেই বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে চলে যান। এই ধরনের কর্মপদ্ধতি বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায় এবং বিচারব্যবস্থার সামগ্রিক কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে তিনি মনে করেন।

অনুষ্ঠানে দেশের তরুণ বিচারকদের ভূয়সী প্রশংসা করে আইনমন্ত্রী জানান যে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিচারব্যবস্থাকে আধুনিক করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল খাতকে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, তরুণ বিচারকেরা যথেষ্ট স্মার্ট এবং তারা এই প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ সাফল্যের সঙ্গেই মোকাবিলা করবেন। বিচার বিভাগকে সাধারণ মানুষের পূর্ণ আস্থা ও ভরসার প্রতীকে পরিণত করতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিচার বিভাগের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ছেচল্লিশ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ মামলার জট দূর করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং সরকার এই চাপ কমাতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যেই ই-জামিন বা ই-বেইল বন্ড চালুর ফলে সাধারণ মানুষ সুফল পেতে শুরু করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিচারপ্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সাক্ষ্য গ্রহণ এবং হাজিরা দেওয়ার পদ্ধতিতেও আধুনিকায়ন আনা হচ্ছে বলে তিনি জানান।