ঢাকা , শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

হিলি এলএসডি গোডাউন থেকে সরকারি ধান বিক্রির অভিযোগ উঠেছে গুডাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

আটকের পর   তদন্ত ছাড়াই ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিকঃ

 

দিনাজপুরের হিলি এলএসডি গোডাউন থেকে সরকারি ধান বিক্রির অভিযোগ উঠেছে গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে , সেই ধান আটকের পর কোন তদন্ত ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে কারও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, হিলি এলএসডি গোডাউন থেকে সরকারি বিক্রিত ধান নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া একটি মিলে গোপনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, এমন সময় বোয়ালদাড় বাজার পার হয়ে বোয়ালদাড় – শান্তিমোড় মাঝ রাস্তায় এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে ধানের টলিটি আটক করে। পরে চালক ও সহকারি কোন কাগজপত্র না দেখাতে পাড়ায়  উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করলে ইউপি চেয়ারম্যান এর পক্ষ থেকে প্রতিনিধি একটি দল ধানের টলিটি বোয়ালদাড় পরিষদে নিয়ে আসা হয়। এরপর উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমান পরিষদে আসেন এবং প্রায় ১ ঘন্টা ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান রুমে মিল মালিকদের সাথে বসে বৈঠক এর পর ধানের টলিটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

তবে এবিষয়ে পরিচালক ও হেলপার কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা বলেন, তাদের কাছে কোন কাগজপত্র নেই। ধানগুলো সরকারি এলএসডি খাদ্য গুদাম থেকে নিয়ে আসছে, যাবে ভাদুড়িয়ার আমতলি এলাকার ফঠিকের মেলে।

 

এছাড়াও গোডাউন থেকে ধান বের হওয়ার সময় কোন সাক্ষর হয়েছে কি না সেই বিষয় জানতে গেলে মিল মালিকের ম্যানেজাররা দুই ম্যানেজাররা বলেন, দুইজনই সাক্ষর করেছেন, তবে, কথা থেকে যায় যে, একই ধান বের করতে দুইজন একই জায়গায় কিভাবে সাক্ষর করে।

 

তবে এবিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমানের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কোন কথা বলতে রাজি নয়। এবং তিনিও কোন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

 

সরকারি ধান গোডাউন থেকে বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে হিলি এলএসডি ওসি সাজেদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন,  গোডাউন থেকে যে ধান বাহির হয়েছে সেগুলো ছাঁটাই এর জন্য মিলে যাচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি আরও বলেন, ওই মিল মালিক ছাটাইয়ের জন্য আরও ধান পাবে।

 

তবে একটি বিশ্বস্ত মহল থেকে জানতে পারা যায় যে ছাটাইয়ের জন্য যে, সমস্ত গোডাউনে ধান দেওয়ার ছিল সব দেওয়া শেষ হয়েছে। আজকে যে ধানগুলো যাচ্ছিল এই ধানগুলো ওসি এলএসডি বিক্রি করছে।

 

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমাকে আটককৃত ধান কিভাবে ছেড়ে দেওয়া হলো সেই বিষয়ে একাধিকবার ফোন করলেও কোন ফোন রিসিভ করেননি তিনি।

 

এদিকে সরকারি বিক্রিত ধান আটকের পর ছেড়ে দেওয়ায় এলাকায় জনগনের মাঝে একটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূরুঙ্গামারীতে মুদি ব্যবসায়ীকে আটকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

error: Content is protected !!

হিলি এলএসডি গোডাউন থেকে সরকারি ধান বিক্রির অভিযোগ উঠেছে গুডাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

আপডেট টাইম : ৪ ঘন্টা আগে
মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক, হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :

মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিকঃ

 

দিনাজপুরের হিলি এলএসডি গোডাউন থেকে সরকারি ধান বিক্রির অভিযোগ উঠেছে গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে , সেই ধান আটকের পর কোন তদন্ত ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে কারও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, হিলি এলএসডি গোডাউন থেকে সরকারি বিক্রিত ধান নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া একটি মিলে গোপনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, এমন সময় বোয়ালদাড় বাজার পার হয়ে বোয়ালদাড় – শান্তিমোড় মাঝ রাস্তায় এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে ধানের টলিটি আটক করে। পরে চালক ও সহকারি কোন কাগজপত্র না দেখাতে পাড়ায়  উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করলে ইউপি চেয়ারম্যান এর পক্ষ থেকে প্রতিনিধি একটি দল ধানের টলিটি বোয়ালদাড় পরিষদে নিয়ে আসা হয়। এরপর উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমান পরিষদে আসেন এবং প্রায় ১ ঘন্টা ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান রুমে মিল মালিকদের সাথে বসে বৈঠক এর পর ধানের টলিটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

তবে এবিষয়ে পরিচালক ও হেলপার কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা বলেন, তাদের কাছে কোন কাগজপত্র নেই। ধানগুলো সরকারি এলএসডি খাদ্য গুদাম থেকে নিয়ে আসছে, যাবে ভাদুড়িয়ার আমতলি এলাকার ফঠিকের মেলে।

 

এছাড়াও গোডাউন থেকে ধান বের হওয়ার সময় কোন সাক্ষর হয়েছে কি না সেই বিষয় জানতে গেলে মিল মালিকের ম্যানেজাররা দুই ম্যানেজাররা বলেন, দুইজনই সাক্ষর করেছেন, তবে, কথা থেকে যায় যে, একই ধান বের করতে দুইজন একই জায়গায় কিভাবে সাক্ষর করে।

 

তবে এবিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমানের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কোন কথা বলতে রাজি নয়। এবং তিনিও কোন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

 

সরকারি ধান গোডাউন থেকে বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে হিলি এলএসডি ওসি সাজেদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন,  গোডাউন থেকে যে ধান বাহির হয়েছে সেগুলো ছাঁটাই এর জন্য মিলে যাচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি আরও বলেন, ওই মিল মালিক ছাটাইয়ের জন্য আরও ধান পাবে।

 

তবে একটি বিশ্বস্ত মহল থেকে জানতে পারা যায় যে ছাটাইয়ের জন্য যে, সমস্ত গোডাউনে ধান দেওয়ার ছিল সব দেওয়া শেষ হয়েছে। আজকে যে ধানগুলো যাচ্ছিল এই ধানগুলো ওসি এলএসডি বিক্রি করছে।

 

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমাকে আটককৃত ধান কিভাবে ছেড়ে দেওয়া হলো সেই বিষয়ে একাধিকবার ফোন করলেও কোন ফোন রিসিভ করেননি তিনি।

 

এদিকে সরকারি বিক্রিত ধান আটকের পর ছেড়ে দেওয়ায় এলাকায় জনগনের মাঝে একটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।