ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

লাগাতার বর্ষন ও ভারতের ইছামতি নদীর পানি

শার্শার ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিলে ৫০০ একর জমি পানির নিচে

সাজেদুর রহমানঃ

 

লাগাতার বর্ষায় ও ভারতের ইছামতী নদীর উজানের পানিতে প্লাবিত হয়েছে শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের ঠেঙামারী ও আওয়লী বিল এলাকা। এতে পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে ৫০০ একর ফসলি জমি। ক্ষতির মুখে পড়েছেন উপজেলার গোগা, শান্তিপুর, বাইকোলা, গাজীর কায়বা, পাঁড়ের কায়বা, পাঁচকায়বা, ভবানীপুর ও রুদ্রপুর সহ ৮ গ্রামের মানুষ। বিশেষ করে এবছর ভারতীয় পানি এ এলাকায় আসার কারনে আউশ ধান, পাট ও আমন বীজ তলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

 

কৃষক আজিজুল ইসলাম বলেন, ইরি বোরো মৌসুমে চাষিদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে ইছামতি নদী হতে প্রবাহিত খালেরমুখের বাঁধ কেটে দেয়া হয়েছিলো। যা পরবর্তীতে আর বেঁধে দেয়া হয়নি ফলে চলিেত মৌসুমে ভারতীয় পানি বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। ভারতীয় এ পানিতে বাংলাদেশে ফসলের ব্যাপোক ক্ষতি হয়েছে।

 

কৃষক জাকির হোসেন জানান, ভারতীয় ইছামতি নদী সংলগ্ন খালের বাঁধ কেটে রাখার কারনে বৃষ্টির পানির সাথে ভারতীয় ইছামতী নদীর উজানের পানি প্রবেশ করে ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিলের ডাঙ্গার পাট ও আউশ ধান তলিয়ে গেছে। বিলে জলাবদ্ধতা তৈরী হয়েছে। ভারতীয় ইছামতির উজানের পানি বিলে প্রবেশ করায় তার এক বিঘা জমির পাট পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার পাটের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এসব পাটের জমিতে এখন ৫ থেকে ৬ ফুট পানি জমে আছে।

 

কায়বা ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি অফিসার আল আমিন জানিয়েছেন, এবছর আগাম বর্ষনের কারনে আমন ধানের ক্ষতি হয়নি। তবে ৫ হেক্টরের মত আমনের বীজ তলা নষ্ট হয়েছে। এছাড়াও ৩৫ হেক্টরের মত আউশ ধান ও ২০ হেক্টরের মত পাট ফসলের ক্ষতি হয়েছে। আমন ফসলের ক্ষতি না হলেও বিলে জলাবদ্ধতা তৈরী হওয়ার কারনে ঠেঙামারী বিলে ৫০০ একরের মত জমিতে আমন চাষ না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

নাটোরের সিংড়ায় এক রাতে চুরি হলো সেচ মোটরের ৬টি ট্রান্সফরমার

error: Content is protected !!

লাগাতার বর্ষন ও ভারতের ইছামতি নদীর পানি

শার্শার ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিলে ৫০০ একর জমি পানির নিচে

আপডেট টাইম : ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
সাজেদুর রহমান, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি :

সাজেদুর রহমানঃ

 

লাগাতার বর্ষায় ও ভারতের ইছামতী নদীর উজানের পানিতে প্লাবিত হয়েছে শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের ঠেঙামারী ও আওয়লী বিল এলাকা। এতে পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে ৫০০ একর ফসলি জমি। ক্ষতির মুখে পড়েছেন উপজেলার গোগা, শান্তিপুর, বাইকোলা, গাজীর কায়বা, পাঁড়ের কায়বা, পাঁচকায়বা, ভবানীপুর ও রুদ্রপুর সহ ৮ গ্রামের মানুষ। বিশেষ করে এবছর ভারতীয় পানি এ এলাকায় আসার কারনে আউশ ধান, পাট ও আমন বীজ তলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

 

কৃষক আজিজুল ইসলাম বলেন, ইরি বোরো মৌসুমে চাষিদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে ইছামতি নদী হতে প্রবাহিত খালেরমুখের বাঁধ কেটে দেয়া হয়েছিলো। যা পরবর্তীতে আর বেঁধে দেয়া হয়নি ফলে চলিেত মৌসুমে ভারতীয় পানি বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। ভারতীয় এ পানিতে বাংলাদেশে ফসলের ব্যাপোক ক্ষতি হয়েছে।

 

কৃষক জাকির হোসেন জানান, ভারতীয় ইছামতি নদী সংলগ্ন খালের বাঁধ কেটে রাখার কারনে বৃষ্টির পানির সাথে ভারতীয় ইছামতী নদীর উজানের পানি প্রবেশ করে ঠেঙামারী ও আওয়ালী বিলের ডাঙ্গার পাট ও আউশ ধান তলিয়ে গেছে। বিলে জলাবদ্ধতা তৈরী হয়েছে। ভারতীয় ইছামতির উজানের পানি বিলে প্রবেশ করায় তার এক বিঘা জমির পাট পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার পাটের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এসব পাটের জমিতে এখন ৫ থেকে ৬ ফুট পানি জমে আছে।

 

কায়বা ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি অফিসার আল আমিন জানিয়েছেন, এবছর আগাম বর্ষনের কারনে আমন ধানের ক্ষতি হয়নি। তবে ৫ হেক্টরের মত আমনের বীজ তলা নষ্ট হয়েছে। এছাড়াও ৩৫ হেক্টরের মত আউশ ধান ও ২০ হেক্টরের মত পাট ফসলের ক্ষতি হয়েছে। আমন ফসলের ক্ষতি না হলেও বিলে জলাবদ্ধতা তৈরী হওয়ার কারনে ঠেঙামারী বিলে ৫০০ একরের মত জমিতে আমন চাষ না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


প্রিন্ট