আপডেট টাইম :
১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২
২৬৫
বার পঠিত
রাতের আঁধারে কম্বল নিয়ে শীতার্তদের পাশে ফরিদপুরে জেলা প্রশাসক
হত দরিদ্র ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে রাতের আঁধারে শীতবস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়েছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার। অসহায় মানুষকে শীতে একটু উষ্ণতা দিতে বৃহস্পতিবার রাতে পৌরশহরের গোয়ালচামট এলাকার দুই নং সড়কে কম্বল বিতরণ করেছেন তিনি। এসময় শহরের বাস টার্মিনাল, ট্রাক টার্মিনাল, মাইক্রো স্টান্ডসহ বিভিন্ন স্থানে শীতার্ত মানুষের মাঝে শতাধিক কম্বল বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসকের হাত থেকে একটি করে কম্বল পেয়ে খুশি হওয়া মানুষেরা বলেন, ‘আমাদের কেউ এভাবে শীতবস্ত্র দেয়নি।’ শীতের কষ্ট থেকে দুস্থদের রক্ষায় জেলা প্রশাসকের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন ঢালী, সহকারি কমিশনার ভূমি জিয়াউল রহমান সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রাণ শাখা কর্মকর্তাবৃন্দ। আরও পড়ুনঃ নলছিটিতে ইউপি সদস্য(সাবেক) চুন্নুর নেতৃত্বে ইটভাটায় ভাংচুর ও মারধর শীতার্তদের পাশে বস্ত্র বিতরণকালে জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, ‘এই শীতে যেন কেউ কষ্ট না পায় সেদিকে জেলা প্রশাসনের লক্ষ্য রয়েছে। রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে শীতার্ত মানুষ শীতে কষ্ট করেন। এরাই প্রকৃত শীতার্ত। তাঁদের কষ্ট কিছুটা লাঘব করার জন্য রাতে বের হওয়া। পর্যায় ক্রমে জেলার ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানো হবে।’
হত দরিদ্র ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে রাতের আঁধারে শীতবস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়েছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার।
অসহায় মানুষকে শীতে একটু উষ্ণতা দিতে বৃহস্পতিবার রাতে পৌরশহরের গোয়ালচামট এলাকার দুই নং সড়কে কম্বল বিতরণ করেছেন তিনি।
এসময় শহরের বাস টার্মিনাল, ট্রাক টার্মিনাল, মাইক্রো স্টান্ডসহ বিভিন্ন স্থানে শীতার্ত মানুষের মাঝে শতাধিক কম্বল বিতরণ করা হয়।
জেলা প্রশাসকের হাত থেকে একটি করে কম্বল পেয়ে খুশি হওয়া মানুষেরা বলেন, ‘আমাদের কেউ এভাবে শীতবস্ত্র দেয়নি।’ শীতের কষ্ট থেকে দুস্থদের রক্ষায় জেলা প্রশাসকের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন ঢালী, সহকারি কমিশনার ভূমি জিয়াউল রহমান সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রাণ শাখা কর্মকর্তাবৃন্দ।
শীতার্তদের পাশে বস্ত্র বিতরণকালে জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, ‘এই শীতে যেন কেউ কষ্ট না পায় সেদিকে জেলা প্রশাসনের লক্ষ্য রয়েছে। রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে শীতার্ত মানুষ শীতে কষ্ট করেন। এরাই প্রকৃত শীতার্ত। তাঁদের কষ্ট কিছুটা লাঘব করার জন্য রাতে বের হওয়া। পর্যায় ক্রমে জেলার ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানো হবে।’