ইসমাইল হােসেন বাবুঃ
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সামনে একটু বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। গত কয়েক দিন হলাে বৃষ্টিতে পানি জমে হাটু পানি। এতে রেজিস্ট্রি কাজে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছেন। দুর্ভোগ লাঘবে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ছাড়াও এই এলাকাটিতে আরও বেশ কয়েকটি সরকারি অফিস রয়েছে। এর মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস, বিআরডিবি অফিস। এ ছাড়াও এখানে ৩৬ জন দলিল লেখক, ৭২ জন সেরেস্তা সহকারী ও ভেন্ডার, ১৭ জন নকল নবিশ কর্মরত রয়েছেন।
এক পশলা বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা মাড়িয়ে অসংখ্য মানুষের যাতায়াত করতে হচ্ছে এসব অফিসে। ফলে জনভোগান্তি দাঁড়িয়েছে চরমে।
অভিযোগ উঠেছে, কয়েক মাস আগে উপজেলা পরিষদের ২নং গেটের সামনে দিয়ে নতুন সড়ক ও ড্রেন নির্মাণ করা হয়। নতুন সড়ক ও ড্রেন নির্মাণের সময় আগের চেয়ে বেশ উঁচু করা হয়েছে। কিন্তু সড়ক উঁচু করা হয়নি। ড্রেইন নির্মাণের সময় কয়েকটি দফতর নিচু থাকায় তা পানি উঠে যাচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে গত ২১ আগস্ট উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. মাহ্ফুজ রানা মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল ইসলামের কাছে একটি পত্র দেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, মিরপুর উপজেলা পরিষদের ভেতরে অবস্থিত সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় একটি শ্রমঘন ও বিপুল জনসমাগমপূর্ণ একটি দফতর। তদুপরি, স্থানীয় সরকার কর সংগ্রহে এই দফতর উপজেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বটে। কার্যালয়ের সম্মুখ রাস্তা থেকে প্রবেশমুখ পর্যন্ত একটি নাতিদীর্ঘ ঢালাই পথ আবশ্যক যাতে সেবাপ্রার্থীরা ধুলো-কাঁদা না মাড়িয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেন। এতে কােন পতিকার হয়নি।
উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার বলেন, এ বিষয়ে পনরায় আবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল ইসলামের কাছে একটি চিঠি দেওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার 



















