ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

শ্যালকের অবৈধ সম্পদের মামলায় আসামি হচ্ছেন সাবেক এসবিপ্রধান মনিরুল

অপরাধ ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক পুলিশের বিশেষ শাখার সাবেক প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলামকে আসামি করে একটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে। তাঁর শ্যালক রেজাউল আলম শাহীনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। দুদকের অনুসন্ধানে এই দুর্নীতির সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীতে কমিশন যাচাই-বাছাই করে মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর আগে দীর্ঘ সময় ধরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আয়ের উৎস ও ব্যাংক হিসাবের গতিপ্রকৃতি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছিল তদন্ত দল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মনিরুল ইসলামের শ্যালক রেজাউল আলম শাহীনের নামে প্রায় সাড়ে তেইশ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে এক হাজার কোটি টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিভিন্ন কৌশলে বৈধ করার জন্যই এসব লেনদেন করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এসব অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতে গিয়ে দুদক কর্মকর্তা চোখ কপালে ওঠার উপক্রম হয়।

এই পুরো দুর্নীতি প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে মনিরুল ইসলামের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানাকেও আসামি করা হয়েছে। এছাড়া রেজাউল আলম শাহীনের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার নামেও পৃথক আরেকটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। সানজিদার ব্যাংক হিসাবগুলোতেও প্রায় আটান্ন কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন এবং পনেরো কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। মূলত মূল অভিযুক্তদের দুর্নীতির অর্থ আড়াল করতেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে এই সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

দুদকের নিয়োজিত অনুসন্ধান দলের প্রধান ও উপপরিচালক এই মামলাগুলোর অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই আদালতে এই মামলাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের এমন ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: প্রচারণা শেষ আজই, বিজিবি মোতায়েন

error: Content is protected !!

শ্যালকের অবৈধ সম্পদের মামলায় আসামি হচ্ছেন সাবেক এসবিপ্রধান মনিরুল

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

অপরাধ ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক পুলিশের বিশেষ শাখার সাবেক প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলামকে আসামি করে একটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে। তাঁর শ্যালক রেজাউল আলম শাহীনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। দুদকের অনুসন্ধানে এই দুর্নীতির সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীতে কমিশন যাচাই-বাছাই করে মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর আগে দীর্ঘ সময় ধরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আয়ের উৎস ও ব্যাংক হিসাবের গতিপ্রকৃতি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছিল তদন্ত দল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মনিরুল ইসলামের শ্যালক রেজাউল আলম শাহীনের নামে প্রায় সাড়ে তেইশ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে এক হাজার কোটি টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিভিন্ন কৌশলে বৈধ করার জন্যই এসব লেনদেন করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এসব অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতে গিয়ে দুদক কর্মকর্তা চোখ কপালে ওঠার উপক্রম হয়।

এই পুরো দুর্নীতি প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে মনিরুল ইসলামের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানাকেও আসামি করা হয়েছে। এছাড়া রেজাউল আলম শাহীনের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার নামেও পৃথক আরেকটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। সানজিদার ব্যাংক হিসাবগুলোতেও প্রায় আটান্ন কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন এবং পনেরো কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। মূলত মূল অভিযুক্তদের দুর্নীতির অর্থ আড়াল করতেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে এই সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

দুদকের নিয়োজিত অনুসন্ধান দলের প্রধান ও উপপরিচালক এই মামলাগুলোর অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই আদালতে এই মামলাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের এমন ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।