ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

মাগুরা খলিশাখালীর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন পায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার খেতাব

মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের খলিশাখালী (বিল্বপাড়া) গ্রামের এ বি এম গোলাম হোসেন (৭৪) একজন প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু ভাগ্যর নির্মম পরিহাসে তাকে দেওয়া হয়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার খেতাব। মুক্তিযোদ্ধা এবিএম গোলাম হোসেন এর পিতার নাম মৃত আলহাজ্ব আঃ আলেক মোল্লা, মাতার নাম মৃত আয়ামানা খাতুন।

মুক্তিযোদ্ধা সনদ পত্রে যুদ্ধকালীন (বিএলএফ) মুজিব বাহিনী থানা কমান্ডার মহম্মদপুর মোঃ গোলাম আকবর হোসেন ২০১১ সালের ১ জুলাই তারিখে প্রত্যয়ন করেন কৈশোর বয়সে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় আমার আওতাধীন পলাশবাড়ীয়া মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে ১ মাস যাবত বিভিন্ন অস্ত্রের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে মহম্মদপুর এলাকার বিভিন্ন যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেন এবং কমান্ডার গোলাম আকবর হোসেনের নেতৃত্বে ঢাকা রের্স কোর্স ময়দানে তার ব্যবহৃত হাতিয়ার জমা করেন।

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তালিকাভুক্ত ২০১৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারী তারিখে মাগুরা-২ সংসদ সদস্য ডঃ শ্রী বীরেন শিকদার বলেন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলা ২৪১ নং ক্রমিকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক মোঃ আতাউল গণি ওসমানী কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র তার নিকট গচ্ছিত আছে। ২০১৪ সালের ৫ জুলাই মাগুরা-১ সংসদ সদস্য ডাঃ এম এস আকবর বলেন মুক্তিযুদ্ধের সূচক তালিকায় মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলা ২৪১ নং ক্রমিকে তার নাম অন্তর্ভুক্ত আছে এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক মোঃ আতাউল গনি ওসমানী কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র তার নিকট গচ্ছিত আছে।

২০১৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী তারিখে মাগুরা জেলা ইউনিট কমান্ডার মোল্লা নবুয়াত আলী প্রত্যয়ন করেন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলায় ২৪১ নং ক্রমিকে এবিএম গোলাম হোসেনের নাম অন্তর্ভুক্ত আছে। ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী তারিখে মহম্মদপুর উপজেলা কমান্ডার মোঃ আলী রেজা খোকন প্রত্যয়ন করেন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলায় ২৪১ নং ক্রমিকে তার নাম অন্তর্ভুক্ত আছে। ২০১৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারী তারিখে নহাটা ইউনিয়ন কমান্ডার মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রত্যয়নপত্র মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার ২৪১ নং ক্রমিকে তার নাম অন্তর্ভুক্ত আছে।

দেশে যুদ্ধ শুরু হলে গোলাম হোসেন দেশ মাতৃকার টানে বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করতে পাকিস্তানি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। এই বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলার ৩ জন গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধা উথলী গ্রামের মোঃ আব্দুর রহমান গেজেট নং ১২১৯, মান্দারবাড়ীয়া গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ গেজেট নং ১৩৬৪, মহেশপুর গ্রামের মোঃ আরজ ফকির গেজেট নং ১২০৩ এরা প্রত্যয়ন করেন এবিএম গোলাম হোসেন ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আমাদের সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।

২০১৪ সালের ২১ জুন তারিখে এবিএম গোলাম হোসেনের ডি.জি নং ১৫৩৪৯৮ এবং তার স্ত্রী হালিমা খাতুন, পুত্র ও কন্যাদের একটাই চাওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের কাছে মৃত্যুর আগে যেন প্রকৃত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার খেতাব পান এ বি এম গোলাম হোসেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নবাবগঞ্জে নাশকতার মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন কর্মী গ্রেপ্তার

error: Content is protected !!

মাগুরা খলিশাখালীর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন পায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার খেতাব

আপডেট টাইম : ১২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩
ফারুক আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার, মাগুরা :

মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের খলিশাখালী (বিল্বপাড়া) গ্রামের এ বি এম গোলাম হোসেন (৭৪) একজন প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু ভাগ্যর নির্মম পরিহাসে তাকে দেওয়া হয়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার খেতাব। মুক্তিযোদ্ধা এবিএম গোলাম হোসেন এর পিতার নাম মৃত আলহাজ্ব আঃ আলেক মোল্লা, মাতার নাম মৃত আয়ামানা খাতুন।

মুক্তিযোদ্ধা সনদ পত্রে যুদ্ধকালীন (বিএলএফ) মুজিব বাহিনী থানা কমান্ডার মহম্মদপুর মোঃ গোলাম আকবর হোসেন ২০১১ সালের ১ জুলাই তারিখে প্রত্যয়ন করেন কৈশোর বয়সে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় আমার আওতাধীন পলাশবাড়ীয়া মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে ১ মাস যাবত বিভিন্ন অস্ত্রের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে মহম্মদপুর এলাকার বিভিন্ন যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেন এবং কমান্ডার গোলাম আকবর হোসেনের নেতৃত্বে ঢাকা রের্স কোর্স ময়দানে তার ব্যবহৃত হাতিয়ার জমা করেন।

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তালিকাভুক্ত ২০১৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারী তারিখে মাগুরা-২ সংসদ সদস্য ডঃ শ্রী বীরেন শিকদার বলেন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলা ২৪১ নং ক্রমিকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক মোঃ আতাউল গণি ওসমানী কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র তার নিকট গচ্ছিত আছে। ২০১৪ সালের ৫ জুলাই মাগুরা-১ সংসদ সদস্য ডাঃ এম এস আকবর বলেন মুক্তিযুদ্ধের সূচক তালিকায় মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলা ২৪১ নং ক্রমিকে তার নাম অন্তর্ভুক্ত আছে এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক মোঃ আতাউল গনি ওসমানী কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র তার নিকট গচ্ছিত আছে।

২০১৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী তারিখে মাগুরা জেলা ইউনিট কমান্ডার মোল্লা নবুয়াত আলী প্রত্যয়ন করেন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলায় ২৪১ নং ক্রমিকে এবিএম গোলাম হোসেনের নাম অন্তর্ভুক্ত আছে। ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী তারিখে মহম্মদপুর উপজেলা কমান্ডার মোঃ আলী রেজা খোকন প্রত্যয়ন করেন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলায় ২৪১ নং ক্রমিকে তার নাম অন্তর্ভুক্ত আছে। ২০১৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারী তারিখে নহাটা ইউনিয়ন কমান্ডার মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রত্যয়নপত্র মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার ২৪১ নং ক্রমিকে তার নাম অন্তর্ভুক্ত আছে।

দেশে যুদ্ধ শুরু হলে গোলাম হোসেন দেশ মাতৃকার টানে বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করতে পাকিস্তানি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। এই বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলার ৩ জন গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধা উথলী গ্রামের মোঃ আব্দুর রহমান গেজেট নং ১২১৯, মান্দারবাড়ীয়া গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ গেজেট নং ১৩৬৪, মহেশপুর গ্রামের মোঃ আরজ ফকির গেজেট নং ১২০৩ এরা প্রত্যয়ন করেন এবিএম গোলাম হোসেন ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আমাদের সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।

২০১৪ সালের ২১ জুন তারিখে এবিএম গোলাম হোসেনের ডি.জি নং ১৫৩৪৯৮ এবং তার স্ত্রী হালিমা খাতুন, পুত্র ও কন্যাদের একটাই চাওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের কাছে মৃত্যুর আগে যেন প্রকৃত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার খেতাব পান এ বি এম গোলাম হোসেন।