ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

দুর্ভোগে চার গ্রামের মানুষ

মহম্মদপুরে নদী ভাঙনে বিলীন এক কি:মি: পাকা রাস্তা

মো. কামরুল হাসানঃ

 

মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতী নদীর ভাঙনে প্রায় এক কি:মি: পাকা রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিপাকে পড়েছেন চার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। তবে শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর দাবীর মুখে বিকল্প চলাচলে সংকীর্ণ রাস্তা করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর। তবে দীর্ঘ এই নতুন রাস্তাটিকে নদী ভাঙনের হাত থেকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কোন উদ্যোগ না থাকায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। রাস্তাটির কিছু অংশ গত বছর বর্ষা মৌসুসে ভেঙ্গে ছিল। এবছর অধিকাংশ অংশ ভেঙ্গে যাওয়ায় এটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

 

২০২০-২০২১ অর্থ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যায়ে এলজিইডি রাস্তাটি নির্মাণ করে। চার বছর না যেতেই রাস্তাটির দুই তৃতীয়াংশ এ বছর নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় বিপাকে পড়েছে চার গ্রামের অসংখ্য মানুষ। এ রাস্তা দিয়েই কয়েক হাজার মানুষ কে ঝামা বাজারসহ উপজেলা শহরের সাথে যোগযোগ রক্ষা করতে হয় এমনকি স্কুল-কলেজের অসংখ্য শিক্ষার্থীকে এ রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। তবে এলাকাবাসীর দাবীর মুখে বিকল্প চলাচলে সংকীর্ণ রাস্তা করা হলেও দুর্ভোগ কমেনি তাদের। ঝামা বাজার বটতলা থেকে রাস্তাটি শুরু হয়ে কালিশঙ্করপুর প্রধান সড়কে সংযুক্ত হয়ে যশোবস্তপুর, দেউলি, উথলি এবং কালিশংকরপুর এই চার গ্রামের মানুষের উপজেলা শহরের সাথে যোগযোগ সহজতর করেছিল যা পথচারীদের সময় এবং খরচ বাচাতে সহায়ক ছিল।

 

উথলি গ্রামের খালেক মুন্সি বলেন, সরকারের উদাসীনতায় নদী ভাঙনে এত সুন্দও একটি রাস্তা নদীতে ভেঙ্গে গেলো। ঝামা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেশমা নামের এক স্কুল ছাত্রী বলেন, যখন রাস্তাটি ছিল তখন আমরা খুব সহজেই স্কুলে যাতায়াত করতে পারতাম। এখন কাঁদা-মাটি ডিঙ্গিয়ে আমাদের স্কুলে যেতে হয়।
মহম্মদপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. গোলজার হোসেন বলেন, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী কে নিয়ে আমরা রাস্তাটি পরিদর্শন করেছে। সেখানে এখন আর করার কিছু নাই।
মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান সুজন বলেন, রাস্তাটি পরিদর্শন করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করেছে। পানি কমলে অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

দুর্ভোগে চার গ্রামের মানুষ

মহম্মদপুরে নদী ভাঙনে বিলীন এক কি:মি: পাকা রাস্তা

আপডেট টাইম : ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
মো. কামরুল হাসান, বিশেষ প্রতিনিধি :

মো. কামরুল হাসানঃ

 

মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতী নদীর ভাঙনে প্রায় এক কি:মি: পাকা রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিপাকে পড়েছেন চার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। তবে শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর দাবীর মুখে বিকল্প চলাচলে সংকীর্ণ রাস্তা করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর। তবে দীর্ঘ এই নতুন রাস্তাটিকে নদী ভাঙনের হাত থেকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কোন উদ্যোগ না থাকায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। রাস্তাটির কিছু অংশ গত বছর বর্ষা মৌসুসে ভেঙ্গে ছিল। এবছর অধিকাংশ অংশ ভেঙ্গে যাওয়ায় এটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

 

২০২০-২০২১ অর্থ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যায়ে এলজিইডি রাস্তাটি নির্মাণ করে। চার বছর না যেতেই রাস্তাটির দুই তৃতীয়াংশ এ বছর নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় বিপাকে পড়েছে চার গ্রামের অসংখ্য মানুষ। এ রাস্তা দিয়েই কয়েক হাজার মানুষ কে ঝামা বাজারসহ উপজেলা শহরের সাথে যোগযোগ রক্ষা করতে হয় এমনকি স্কুল-কলেজের অসংখ্য শিক্ষার্থীকে এ রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। তবে এলাকাবাসীর দাবীর মুখে বিকল্প চলাচলে সংকীর্ণ রাস্তা করা হলেও দুর্ভোগ কমেনি তাদের। ঝামা বাজার বটতলা থেকে রাস্তাটি শুরু হয়ে কালিশঙ্করপুর প্রধান সড়কে সংযুক্ত হয়ে যশোবস্তপুর, দেউলি, উথলি এবং কালিশংকরপুর এই চার গ্রামের মানুষের উপজেলা শহরের সাথে যোগযোগ সহজতর করেছিল যা পথচারীদের সময় এবং খরচ বাচাতে সহায়ক ছিল।

 

উথলি গ্রামের খালেক মুন্সি বলেন, সরকারের উদাসীনতায় নদী ভাঙনে এত সুন্দও একটি রাস্তা নদীতে ভেঙ্গে গেলো। ঝামা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেশমা নামের এক স্কুল ছাত্রী বলেন, যখন রাস্তাটি ছিল তখন আমরা খুব সহজেই স্কুলে যাতায়াত করতে পারতাম। এখন কাঁদা-মাটি ডিঙ্গিয়ে আমাদের স্কুলে যেতে হয়।
মহম্মদপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. গোলজার হোসেন বলেন, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী কে নিয়ে আমরা রাস্তাটি পরিদর্শন করেছে। সেখানে এখন আর করার কিছু নাই।
মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান সুজন বলেন, রাস্তাটি পরিদর্শন করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করেছে। পানি কমলে অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।