ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

মঞ্চে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা নাট্যমঞ্চে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরও একটি নতুন ও নান্দনিক প্রযোজনা। নাট্যদল নবরস-এর পঞ্চম প্রযোজনা হিসেবে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত আখ্যানকাব্য অবলম্বনে মঞ্চে আসছে নাটক সোজন বাদিয়ার ঘাট। আগামী ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে নাটকটির সফল কারিগরি মঞ্চায়ন সম্পন্ন হয়েছে। পল্লীকবির এই ক্লাসিক রচনার নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা।

১৯৩৩ সালে প্রকাশিত পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের অমর আখ্যানকাব্য সোজন বাদিয়ার ঘাট তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। তৎকালীন গ্রামীণ সমাজে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এবং দুই ভিন্নধর্মী তরুণ-তরুণীর ট্রাজিক প্রেমকাহিনিই এই নাটকের মূল উপজীব্য। গড়াই বা মধুমতী নদীর তীরে অবস্থিত শিমুলতলী গ্রামে হিন্দু ও মুসলিম দুই সম্প্রদায় মিলেমিশে বসবাস করত। এই গ্রামেরই দুই কিশোর-কিশোরী সোজন ও দুলী ছোটবেলা থেকে খেলার সাথী হিসেবে বড় হয় এবং ধীরে ধীরে সেই শৈশবের বন্ধুত্ব গভীর প্রেমে রূপ নেয়।

তবে স্থানীয় নায়েবের চক্রান্ত আর ধর্মীয় কুসংস্কারের জেরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দূরত্ব ও দ্বন্দ্ব তৈরি হতে থাকে। সমাজ ও পরিবারের কঠিন বাঁধার মুখে পড়ে সোজন ও দুলীর পবিত্র সম্পর্ক। সমাজ ও ধর্মের এই দুর্লঙ্ঘ্য দেওয়াল তারা কি শেষ পর্যন্ত টপকাতে পারবে নাকি নদীর বাঁকে রচিত হবে অন্য কোনো পরিণতি, তা নিয়ে নাটক এগিয়ে যায়। এছাড়া গড়াই বা মধুমতীর তীরটি কেন পরবর্তীতে মানুষের কাছে সোজন বাদিয়ার ঘাট নামে পরিচিতি লাভ করল, এমন সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে নাটকের মঞ্চে।

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় ও এর নেপথ্যে যুক্ত রয়েছেন একদল নিবেদিতপ্রাণ নাট্যকর্মী। এর প্রধান কলাকুশলীদের মধ্যে রয়েছেন আফিয়া জামান সৃজা, কাশিফ আলফি আহমেদ, সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা, ইউসুফ রাসেল, নাজমুল হাসান শুভ, নাজমুল হক বাবু, শাখাওয়াত হোসেন শিমুল, হামীম সুলতান, মোহাম্মদ ইমরান খান, গোলাম মোর্শেদ, রাজীব চন্দ্র দাস, এম শাহজাদা, ওমর ফারুক, বন্যা, সুকন্যা সাকিরা এবং দেবাদ্রিতা সরকার বাঁধন। দলটির প্রত্যাশা, এই পরিবেশনা দর্শকদের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটবে এবং বাংলা নাট্যমঞ্চে একটি বিশেষ স্থান দখল করবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

কোটি টাকা ঘুষ চাওয়া প্রসিকিউটর দেশ ছেড়েছেন, চিফ প্রসিকিউটর বললেন নিষেধাজ্ঞা ছিল না

error: Content is protected !!

মঞ্চে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

আপডেট টাইম : ৫১ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা নাট্যমঞ্চে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরও একটি নতুন ও নান্দনিক প্রযোজনা। নাট্যদল নবরস-এর পঞ্চম প্রযোজনা হিসেবে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত আখ্যানকাব্য অবলম্বনে মঞ্চে আসছে নাটক সোজন বাদিয়ার ঘাট। আগামী ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে নাটকটির সফল কারিগরি মঞ্চায়ন সম্পন্ন হয়েছে। পল্লীকবির এই ক্লাসিক রচনার নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা।

১৯৩৩ সালে প্রকাশিত পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের অমর আখ্যানকাব্য সোজন বাদিয়ার ঘাট তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। তৎকালীন গ্রামীণ সমাজে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এবং দুই ভিন্নধর্মী তরুণ-তরুণীর ট্রাজিক প্রেমকাহিনিই এই নাটকের মূল উপজীব্য। গড়াই বা মধুমতী নদীর তীরে অবস্থিত শিমুলতলী গ্রামে হিন্দু ও মুসলিম দুই সম্প্রদায় মিলেমিশে বসবাস করত। এই গ্রামেরই দুই কিশোর-কিশোরী সোজন ও দুলী ছোটবেলা থেকে খেলার সাথী হিসেবে বড় হয় এবং ধীরে ধীরে সেই শৈশবের বন্ধুত্ব গভীর প্রেমে রূপ নেয়।

তবে স্থানীয় নায়েবের চক্রান্ত আর ধর্মীয় কুসংস্কারের জেরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দূরত্ব ও দ্বন্দ্ব তৈরি হতে থাকে। সমাজ ও পরিবারের কঠিন বাঁধার মুখে পড়ে সোজন ও দুলীর পবিত্র সম্পর্ক। সমাজ ও ধর্মের এই দুর্লঙ্ঘ্য দেওয়াল তারা কি শেষ পর্যন্ত টপকাতে পারবে নাকি নদীর বাঁকে রচিত হবে অন্য কোনো পরিণতি, তা নিয়ে নাটক এগিয়ে যায়। এছাড়া গড়াই বা মধুমতীর তীরটি কেন পরবর্তীতে মানুষের কাছে সোজন বাদিয়ার ঘাট নামে পরিচিতি লাভ করল, এমন সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে নাটকের মঞ্চে।

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় ও এর নেপথ্যে যুক্ত রয়েছেন একদল নিবেদিতপ্রাণ নাট্যকর্মী। এর প্রধান কলাকুশলীদের মধ্যে রয়েছেন আফিয়া জামান সৃজা, কাশিফ আলফি আহমেদ, সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা, ইউসুফ রাসেল, নাজমুল হাসান শুভ, নাজমুল হক বাবু, শাখাওয়াত হোসেন শিমুল, হামীম সুলতান, মোহাম্মদ ইমরান খান, গোলাম মোর্শেদ, রাজীব চন্দ্র দাস, এম শাহজাদা, ওমর ফারুক, বন্যা, সুকন্যা সাকিরা এবং দেবাদ্রিতা সরকার বাঁধন। দলটির প্রত্যাশা, এই পরিবেশনা দর্শকদের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটবে এবং বাংলা নাট্যমঞ্চে একটি বিশেষ স্থান দখল করবে।