ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারকুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে আছে। গত রোববার রাতে ভেড়ামারা রেলওয়ে স্টেশন থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় তিনি মারা যান।আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত আনুমানিক ৫০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। মরদেহ হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডেই পড়ে ছিল।ভেড়ামারা থানার এসআই রেজাউল জানান, কুষ্টিয়া পিবিআইকে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসে আঙুলের ছাপ নিলে হয়তো পরিচয় জানা যাবে।ভেড়ামারা রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা যায়, রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে লুঙ্গি পরা এক ব্যক্তিকে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্টেশন কর্তৃপক্ষ এক ভ্যানচালকের মাধ্যমে তাঁকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।ভ্যানচালক আরিফ হোসেন বলেন, স্টেশন মাস্টারের কথায় আমি ওই ব্যক্তিকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করাই। প্রথমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা দিতে রাজি হয়নি। পরে ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে কথা বলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তিকে মুমূর্ষু অবস্থায় গভীর রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।ভেড়ামারা থানার ওসি আবদুল রব তালুকদার বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের জন্য আমাদের টিম কাজ করছে।
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে আছে। গত রোববার রাতে ভেড়ামারা রেলওয়ে স্টেশন থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় তিনি মারা যান।
আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত আনুমানিক ৫০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। মরদেহ হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডেই পড়ে ছিল।
ভেড়ামারা থানার এসআই রেজাউল জানান, কুষ্টিয়া পিবিআইকে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসে আঙুলের ছাপ নিলে হয়তো পরিচয় জানা যাবে।
ভেড়ামারা রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা যায়, রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে লুঙ্গি পরা এক ব্যক্তিকে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্টেশন কর্তৃপক্ষ এক ভ্যানচালকের মাধ্যমে তাঁকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
ভ্যানচালক আরিফ হোসেন বলেন, স্টেশন মাস্টারের কথায় আমি ওই ব্যক্তিকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করাই। প্রথমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা দিতে রাজি হয়নি। পরে ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে কথা বলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তিকে মুমূর্ষু অবস্থায় গভীর রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
ভেড়ামারা থানার ওসি আবদুল রব তালুকদার বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের জন্য আমাদের টিম কাজ করছে।