দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
১৫০
বার পঠিত
ভূরুঙ্গামারীতে আওয়ামী লীগ নেতার ডিজিটাল সেন্টারের দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে বিতর্ক
আরিফুল ইসলাম জয়ঃ ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বাবুর উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারের দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এ পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। জানা যায়, উপজেলার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘বিনোদন স্টুডিও’ নামে একটি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন শরিফুল ইসলাম বাবু। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবসা করে আসছেন। অথচ, ডিজিটাল সেন্টারের মতো একটি জনসেবামূলক পদে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অন্য যোগ্য প্রার্থীরা উপেক্ষিত হচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া নাশকতা মামলায় শরিফুল ইসলাম বাবু গ্রেফতার হন। কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। জামিনের পরও তিনি পূর্বের মতোই ডিজিটাল সেন্টারের দায়িত্ব পালন করছেন, যা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপ জন মিত্র বলেন: “আমি এখানে নতুন এসেছি, গতকাল ছিলো আমার প্রথম কর্মদিবস। তবে বিষয়টি আমি দেখবো।” এদিকে স্থানীয় সচেতনমহলের দাবি, ডিজিটাল সেন্টারের মতো একটি জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেন দলীয় প্রভাব ও স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে স্বচ্ছ ও ন্যায্যভাবে পরিচালিত হয়—এটাই এখন সময়ের দাবি।
আরিফুল ইসলাম জয়ঃ
ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বাবুর উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারের দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এ পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
জানা যায়, উপজেলার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘বিনোদন স্টুডিও’ নামে একটি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন শরিফুল ইসলাম বাবু। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবসা করে আসছেন। অথচ, ডিজিটাল সেন্টারের মতো একটি জনসেবামূলক পদে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অন্য যোগ্য প্রার্থীরা উপেক্ষিত হচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া নাশকতা মামলায় শরিফুল ইসলাম বাবু গ্রেফতার হন। কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। জামিনের পরও তিনি পূর্বের মতোই ডিজিটাল সেন্টারের দায়িত্ব পালন করছেন, যা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপ জন মিত্র বলেন:
“আমি এখানে নতুন এসেছি, গতকাল ছিলো আমার প্রথম কর্মদিবস। তবে বিষয়টি আমি দেখবো।”
এদিকে স্থানীয় সচেতনমহলের দাবি, ডিজিটাল সেন্টারের মতো একটি জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেন দলীয় প্রভাব ও স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে স্বচ্ছ ও ন্যায্যভাবে পরিচালিত হয়—এটাই এখন সময়ের দাবি।