ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ভারতে প্রবেশ প্রায় বন্ধ, শেরপুর সীমান্তে আটকে পড়া হাতিগুলোর কী হবে?

জাতীয় ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে থাকা শেরপুর সীমান্ত এলাকায় বন্য হাতির একটি বড় দল আটকা পড়ে রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই সমস্যায় প্রায় ১৩০টির বেশি হাতি বাংলাদেশ অংশে অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। দুই দেশের সীমান্তজুড়ে থাকা কাঁটাতারের বেড়া এবং বিভিন্ন কৃত্রিম প্রতিবন্ধকতার কারণে এই বিশাল আকৃতির বন্য প্রাণীগুলোর স্বাভাবিক চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে হাতিগুলো নিজেদের চিরাচরিত করিডোর বা চলাচলের পথ হারিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে।

এই সংকটজনক পরিস্থিতি নিরসনে কূটনৈতিক পর্যায়ে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের কাছে এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হাতিগুলোর এই দীর্ঘমেয়াদী আটকা পড়ে থাকা কেবল প্রাণীগুলোর জন্যই হুমকিস্বরূপ নয়, বরং এটি সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। ভারতের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় হাতিগুলোর নিরাপদ প্রত্যাবর্তন বা তাদের অবাধ চলাচলের পথ উন্মুক্ত করার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বন্য হাতির আক্রমণের আতঙ্ক দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করছে।

পরিবেশবাদী ও বন্যপ্রাণী গবেষকরা এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছেন। তারা বলছেন, হাতিগুলোর প্রাচীন মাইগ্রেশন রুট বা চলাচলের পথগুলো রক্ষা করতে না পারলে এই অঞ্চলে মানুষ ও হাতির সংঘাত আরও বাড়বে। তাই যত দ্রুত সম্ভব কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে হাতিগুলোর জন্য নিরাপদ করিডোর নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

বিগ ব্যাশে দল পেলেন মোস্তাফিজ

error: Content is protected !!

ভারতে প্রবেশ প্রায় বন্ধ, শেরপুর সীমান্তে আটকে পড়া হাতিগুলোর কী হবে?

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

জাতীয় ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে থাকা শেরপুর সীমান্ত এলাকায় বন্য হাতির একটি বড় দল আটকা পড়ে রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই সমস্যায় প্রায় ১৩০টির বেশি হাতি বাংলাদেশ অংশে অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। দুই দেশের সীমান্তজুড়ে থাকা কাঁটাতারের বেড়া এবং বিভিন্ন কৃত্রিম প্রতিবন্ধকতার কারণে এই বিশাল আকৃতির বন্য প্রাণীগুলোর স্বাভাবিক চলাচল সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে হাতিগুলো নিজেদের চিরাচরিত করিডোর বা চলাচলের পথ হারিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে।

এই সংকটজনক পরিস্থিতি নিরসনে কূটনৈতিক পর্যায়ে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের কাছে এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হাতিগুলোর এই দীর্ঘমেয়াদী আটকা পড়ে থাকা কেবল প্রাণীগুলোর জন্যই হুমকিস্বরূপ নয়, বরং এটি সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। ভারতের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় হাতিগুলোর নিরাপদ প্রত্যাবর্তন বা তাদের অবাধ চলাচলের পথ উন্মুক্ত করার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বন্য হাতির আক্রমণের আতঙ্ক দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করছে।

পরিবেশবাদী ও বন্যপ্রাণী গবেষকরা এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছেন। তারা বলছেন, হাতিগুলোর প্রাচীন মাইগ্রেশন রুট বা চলাচলের পথগুলো রক্ষা করতে না পারলে এই অঞ্চলে মানুষ ও হাতির সংঘাত আরও বাড়বে। তাই যত দ্রুত সম্ভব কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে হাতিগুলোর জন্য নিরাপদ করিডোর নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।