ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

বোয়ালমারীতে নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বারাসিয়া নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী মাছ শিকার ও মাছ চাষ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ময়না ইউনিয়নের বান্দুগ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর অংশে বাঁধ দিয়ে প্রভাবশালীরা মাছ শিকার এবং আবদ্ধ স্থানে মাছ চাষও করছেন।

 

নিয়ম অনুসারে, প্রবহমান কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের বাঁধ, স্থায়ী অবকাঠামো বা অন্য কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। জলাশয়ে পানির প্রবাহ ও মাছের চলাচল বাঁধ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করলে শাস্তির বিধানও রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বারাসিয়া নদীর ওই স্থানের এক পাশে বোয়ালমারী সদর ইউনিয়ন, অপর পাশে ময়না ইউনিয়ন। নদীর ওই স্থানের দুই পাড়কে সংযুক্ত করে বাঁশ ও জালের বাঁধ দিয়ে চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছ আহরণ করা হচ্ছে। এতে মাছের প্রজনন ধ্বংস হচ্ছে।

 

স্থানীয়রা জানান, ময়না ইউনিয়নের বান্দুগ্রামের দক্ষিণপাড়ার মাজেদ বিশ্বাসের ছেলে সুমন বিশ্বাসসহ স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু লোক নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন। অনেক জেলেই নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ আহরণ করার কারণে ক্ষোভ জানিয়েছেন। স্থানীয়রা আরো জানান, যারা বাঁধ দিয়েছেন, তারা প্রভাশালী। তাই তাদের শত নিষেধের পরও কোনো কাজ হচ্ছে না।

আইন অমান্য করে নদীতে বাঁধ দেওয়া সঠিক কিনা জানতে চাইলে বাঁধ প্রদানকারী সুমন বিশ্বাস বলেন, একটি মিলের পানি ঠেকানোর জন্য নদীতে বাঁধ দিয়েছি। এখানে কিছু টাকা খরচ হয়েছে। তাই সেখানে কিছু সিলভার কার্প মাছ ছেড়েছি।

 

 

নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারের বিষয়ে জানতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো.জসীমউদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি দেখছি।
বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান জানান, বিষয়টি আমার চোখে পড়েনি। আমি বিষয়টি দেখার জন্য মৎস্য কর্মকর্তাকে বলবো।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

বোয়ালমারীতে নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ

আপডেট টাইম : ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
দীপঙ্কর পোদ্দার অপু, বিশেষ প্রতিনিধি :

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বারাসিয়া নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী মাছ শিকার ও মাছ চাষ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ময়না ইউনিয়নের বান্দুগ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর অংশে বাঁধ দিয়ে প্রভাবশালীরা মাছ শিকার এবং আবদ্ধ স্থানে মাছ চাষও করছেন।

 

নিয়ম অনুসারে, প্রবহমান কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের বাঁধ, স্থায়ী অবকাঠামো বা অন্য কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। জলাশয়ে পানির প্রবাহ ও মাছের চলাচল বাঁধ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করলে শাস্তির বিধানও রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বারাসিয়া নদীর ওই স্থানের এক পাশে বোয়ালমারী সদর ইউনিয়ন, অপর পাশে ময়না ইউনিয়ন। নদীর ওই স্থানের দুই পাড়কে সংযুক্ত করে বাঁশ ও জালের বাঁধ দিয়ে চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছ আহরণ করা হচ্ছে। এতে মাছের প্রজনন ধ্বংস হচ্ছে।

 

স্থানীয়রা জানান, ময়না ইউনিয়নের বান্দুগ্রামের দক্ষিণপাড়ার মাজেদ বিশ্বাসের ছেলে সুমন বিশ্বাসসহ স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু লোক নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন। অনেক জেলেই নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ আহরণ করার কারণে ক্ষোভ জানিয়েছেন। স্থানীয়রা আরো জানান, যারা বাঁধ দিয়েছেন, তারা প্রভাশালী। তাই তাদের শত নিষেধের পরও কোনো কাজ হচ্ছে না।

আইন অমান্য করে নদীতে বাঁধ দেওয়া সঠিক কিনা জানতে চাইলে বাঁধ প্রদানকারী সুমন বিশ্বাস বলেন, একটি মিলের পানি ঠেকানোর জন্য নদীতে বাঁধ দিয়েছি। এখানে কিছু টাকা খরচ হয়েছে। তাই সেখানে কিছু সিলভার কার্প মাছ ছেড়েছি।

 

 

নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারের বিষয়ে জানতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো.জসীমউদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি দেখছি।
বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান জানান, বিষয়টি আমার চোখে পড়েনি। আমি বিষয়টি দেখার জন্য মৎস্য কর্মকর্তাকে বলবো।