অর্থনীতি ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সামরিক সংঘাত থামানোর লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরালো হওয়ার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি শান্ত করার এই কূটনৈতিক উদ্যোগে তেলের আন্তর্জাতিক বাজার অনেকটাই স্বস্তি ফিরে পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এশিয়া অঞ্চলের শেয়ার ও পণ্যের বাজারে লেনদেনের শুরুতেই জ্বালানি তেলের এই দরপতন লক্ষ্য করা যায়।
সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য এক শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে। মূলত ইরান ও কাতারের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা চলমান সংকট নিরসনে এবং একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ধারাবাহিক বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন। টানা তিন দিন ধরে চলা এই আলোচনা ইতিবাচক দিকে মোড় নেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকট কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সর্বশেষ বাজারভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বহুল প্রচলিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৫১ ডলার বা ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বর্তমানে ১শ ১১ দশমিক ৯২ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে গত কিছুদিন ধরে তেলের বাজারে যে অস্থিরতা বিরাজ করছিল, এই দরপতনের মাধ্যমে তা কিছুটা হলেও কমল।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও সমহারে হ্রাস পেয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রতি ব্যারেলের দাম ১ দশমিক ৭৮ ডলার বা ১ দশমিক ৭১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১শ ২ দশমিক ৩৪ ডলারে। কূটনৈতিক আলোচনার ফলস্বরূপ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার প্রত্যাশা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের এই দরপতন ঘটে বলে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 






















