‘বিয়ের পর নওরীনকে কক্ষে আটকে রাখা হতো’
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নওরীন নুসরাতকে হত্যা বা আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার বাবা স্কুল শিক্ষক খন্দকার নজরুল ইসলাম। শ্বশুরবাড়ির মানসিক অত্যাচারে এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি তার। হত্যা বা আত্মহত্যার প্ররোচণা, যা-ই হোক মেয়ের মৃত্যুর বিচার দাবি করেছেন নজরুল ইসলাম।নওরীন মৃত্যুর দিনে বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলেন। শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে নিয়ে বাবার কাছে অভিযোগও করেন তিনি।নজরুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার দিন সকাল থেকে ফোনে না পেয়ে আমি আর ওর মা ওরা যেখানে থাকত সেখানে রওনা হয়েছিলাম। মেয়ের জামাই বলল, ‘আমি অফিসে আছি, আপনারা ৬টার পরে আসেন। না হলে বাসায় ঢোকা যাবে না।’ মাঝে দুপুরে মেয়ে ফোন দিয়ে বলল, ‘বাবা আমাকে খলিল (স্বামী) অনেক কথা বলেছে, আমি সহ্য করছি। কিন্তু ওর মা (শাশুড়ি) কেন আমাকে বাজে কথা বলবে? আমি এটা মানতে পারব না।’ আমি তখন তাকে বললাম, ‘একটু ধৈর্য ধরো, আমরা আসছি।’ এরপর শুনলাম আমার মেয়ে ছাদ থেকে পড়ে গেছে।তারা হয় প্ল্যান করে আমার মেয়েকে মেরেছে না হয় আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে। আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত চাই। যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিচার চাই। আমরা আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে দ্রুতই আইনি পদক্ষেপ নেব।”তিনি আরো বলেন, ‘বিয়ের সময় শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলেছিল ওকে পড়াশোনা করাবে।ছয় মাস পর মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হলে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেব, তখন সংসার শুরু করবে। এই বলেই বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের...