ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

বিনোদন পার্কে হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক: আধুনিকতার ভিড়ে বাংলার অনেক ঐতিহ্য আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। এমন এক সময়ে গ্রামীণ জীবনের বহু পুরোনো ও হারিয়ে যাওয়া অনুষঙ্গ নিয়ে ব্যতিক্রমী এক সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছেন আদিল ফকির। একটি বিনোদন পার্কের ভেতরে তৈরি এই সংগ্রহশালায় স্থান পেয়েছে গ্রামবাংলার শত বছরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির নানা নিদর্শন। সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে চলে যাওয়া এসব ঐতিহাসিক উপাদান দেখতে সেখানে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন কৌতূহলী দর্শনার্থীরা।

এই ব্যতিক্রমী সংগ্রহশালায় প্রবেশ করলেই দর্শনার্থীরা ফিরে যান অতীতে। সেখানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি, যা একসময় প্রতিটি বাড়ির গৃহিণীদের ধান ভানার নিত্যসঙ্গী ছিল। এ ছাড়া গ্রামীণ জীবনের অন্ধকারের আলো ছড়ানোর মাধ্যম কুপি ও হারিকেনও স্থান পেয়েছে এই প্রদর্শনীতে। গ্রামবাংলার সহজ-সরল মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নানা ব্যবহার্য জিনিসপত্র সুনিপুণভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এখানে।

প্রদর্শনীতে যুক্ত হয়েছে কলের গান বা গ্রামোফোন, যা থেকে একসময় ভেসে আসত সুরের মূর্ছনা। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় যন্ত্রসংগীতের জয়জয়কার থাকলেও, কলের গানের এই ঐতিহাসিক উপস্থিতি পুরোনো দিনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে প্রবীণদের মনে। তরুণ প্রজন্ম বইয়ের পাতার বাইরে এসে এসব যন্ত্র সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছে, যা তাদের দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল করে তুলছে।

আদিল ফকিরের এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে গ্রামীণ ঐতিহ্যের এক সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে। যান্ত্রিক শহরের ক্লান্তি দূর করতে মানুষ যখন বিনোদন পার্কে ঘুরতে আসেন, তখন এই সংগ্রহশালা তাদের মনে এক প্রশান্তি এনে দেয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণে আরও বড় ভূমিকা পালন করবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

error: Content is protected !!

বিনোদন পার্কে হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য

আপডেট টাইম : ৪২ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

লাইফস্টাইল ডেস্ক: আধুনিকতার ভিড়ে বাংলার অনেক ঐতিহ্য আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। এমন এক সময়ে গ্রামীণ জীবনের বহু পুরোনো ও হারিয়ে যাওয়া অনুষঙ্গ নিয়ে ব্যতিক্রমী এক সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছেন আদিল ফকির। একটি বিনোদন পার্কের ভেতরে তৈরি এই সংগ্রহশালায় স্থান পেয়েছে গ্রামবাংলার শত বছরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির নানা নিদর্শন। সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে চলে যাওয়া এসব ঐতিহাসিক উপাদান দেখতে সেখানে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন কৌতূহলী দর্শনার্থীরা।

এই ব্যতিক্রমী সংগ্রহশালায় প্রবেশ করলেই দর্শনার্থীরা ফিরে যান অতীতে। সেখানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি, যা একসময় প্রতিটি বাড়ির গৃহিণীদের ধান ভানার নিত্যসঙ্গী ছিল। এ ছাড়া গ্রামীণ জীবনের অন্ধকারের আলো ছড়ানোর মাধ্যম কুপি ও হারিকেনও স্থান পেয়েছে এই প্রদর্শনীতে। গ্রামবাংলার সহজ-সরল মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নানা ব্যবহার্য জিনিসপত্র সুনিপুণভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এখানে।

প্রদর্শনীতে যুক্ত হয়েছে কলের গান বা গ্রামোফোন, যা থেকে একসময় ভেসে আসত সুরের মূর্ছনা। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় যন্ত্রসংগীতের জয়জয়কার থাকলেও, কলের গানের এই ঐতিহাসিক উপস্থিতি পুরোনো দিনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে প্রবীণদের মনে। তরুণ প্রজন্ম বইয়ের পাতার বাইরে এসে এসব যন্ত্র সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছে, যা তাদের দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল করে তুলছে।

আদিল ফকিরের এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে গ্রামীণ ঐতিহ্যের এক সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে। যান্ত্রিক শহরের ক্লান্তি দূর করতে মানুষ যখন বিনোদন পার্কে ঘুরতে আসেন, তখন এই সংগ্রহশালা তাদের মনে এক প্রশান্তি এনে দেয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণে আরও বড় ভূমিকা পালন করবে।