দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
গোলাম মোর্তবা শিকদার রিজুঃ বালিয়াকান্দি উপজেলা-তে কুল চাষের সম্ভাবনা ও চলমান অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ। তিনি উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ও ফলদ বাগান ঘুরে দেখেন এবং কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় কৃষক মোঃ জাকির হোসেন-এর কুল বাগান পরিদর্শন করেন। এ সময় গাছের বৃদ্ধি,রোগবালাই, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক পরিচর্যা পদ্ধতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। বাগানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বালিয়াকান্দির মাটি ও আবহাওয়া কুল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সঠিক পরিচর্যা, সময়মতো সার প্রয়োগ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা অধিক ফলন ও লাভ নিশ্চিত করতে পারবেন।” কৃষক মোঃ জাকির হোসেন জানান, কৃষি অফিসের নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তায় তার বাগানে এবার আশানুরূপ ফলন এসেছে। বাজারে কুলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি চলতি মৌসুমে ভালো লাভের আশা করছেন। তিনি আরও বলেন, “উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার দিকনির্দেশনা আমাদের অনেক উপকারে এসেছে।” এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অন্যান্য কৃষকদেরও ফলজ বাগান সম্প্রসারণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় কৃষকদের মতে, কৃষি কর্মকর্তার এমন মাঠ পরিদর্শন ও সরাসরি তদারকি তাদের কাজে নতুন উদ্দীপনা যোগায় এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে। কুল চাষে সফলতা এ অঞ্চলের কৃষিতে...
গোলাম মোর্তবা শিকদার রিজুঃ
বালিয়াকান্দি উপজেলা-তে কুল চাষের সম্ভাবনা ও চলমান অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ। তিনি উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ও ফলদ বাগান ঘুরে দেখেন এবং কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় কৃষক মোঃ জাকির হোসেন-এর কুল বাগান পরিদর্শন করেন।
এ সময় গাছের বৃদ্ধি,রোগবালাই, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক পরিচর্যা পদ্ধতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। বাগানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বালিয়াকান্দির মাটি ও আবহাওয়া কুল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সঠিক পরিচর্যা, সময়মতো সার প্রয়োগ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা অধিক ফলন ও লাভ নিশ্চিত করতে পারবেন।”
কৃষক মোঃ জাকির হোসেন জানান, কৃষি অফিসের নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তায় তার বাগানে এবার আশানুরূপ ফলন এসেছে। বাজারে কুলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি চলতি মৌসুমে ভালো লাভের আশা করছেন। তিনি আরও বলেন, “উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার দিকনির্দেশনা আমাদের অনেক উপকারে এসেছে।”
এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অন্যান্য কৃষকদেরও ফলজ বাগান সম্প্রসারণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, কৃষি কর্মকর্তার এমন মাঠ পরিদর্শন ও সরাসরি তদারকি তাদের কাজে নতুন উদ্দীপনা যোগায় এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে। কুল চাষে সফলতা এ অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে বলে মনে করছেন