বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের “জুলিও কুরি” শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করেছে। এই উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার দূতাবাসের হল রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পর্তুগালে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীগন ও দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাংলাদেশ দূতাবাস, লিসবনের চার্জ দ্যা এ্যফেয়ার্স আলমগীর হোসেন দূতাবাসের অনান্য কর্মকর্তা কর্মচারীগণকে সাথে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অতঃপর “জুলিও কুরি শান্তি পদক” প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের “জুলিও কুরি শান্তি পদক” প্রাপ্তির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের উপর এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহন করেন। আরও পড়ুনঃ ‘ইউনেস্কো-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার’ পেয়েছে জিম্বাবুয়ের প্রতিষ্ঠান মিউজিক ক্রসরোডস অনুষ্ঠান শেষে ১৫ আগষ্ট নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবার সহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় ও প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর কন্য শেখ রেহানার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন।
বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের “জুলিও কুরি” শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করেছে।
এই উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার দূতাবাসের হল রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পর্তুগালে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীগন ও দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাংলাদেশ দূতাবাস, লিসবনের চার্জ দ্যা এ্যফেয়ার্স আলমগীর হোসেন দূতাবাসের অনান্য কর্মকর্তা কর্মচারীগণকে সাথে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অতঃপর “জুলিও কুরি শান্তি পদক” প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।
এর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের “জুলিও কুরি শান্তি পদক” প্রাপ্তির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের উপর এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।
অনুষ্ঠান শেষে ১৫ আগষ্ট নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবার সহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় ও প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর কন্য শেখ রেহানার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন।