অর্থনীতি ডেস্ক: প্রায় দুই মাস বিরতির পর হিমালয়ের দেশ নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হয়েছে। নির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী দেশটি থেকে আবার বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হওয়ায় দেশের জ্বালানি খাতে স্বস্তি ফিরেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন শুরু হওয়ার পর থেকেই তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে শুরু করেছে।বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড পিএলসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুনরায় সরবরাহ চালুর পর বর্তমানে নিয়মিতভাবে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। গত বছরের মাঝামা সময় থেকে দুই দেশের মধ্যকার চুক্তি অনুযায়ী এই বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়েছিল।এর আগে গত আগস্ট মাসের শেষের দিকে নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে দেশটির একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশমুখী সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে পড়েছিল। ভারতের গ্রিড ও সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে এই বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসায়, নেপালের অভ্যন্তরে উৎপাদন বিঘ্নিত হওয়ায় সরাসরি এর প্রভাব পড়েছিল।উল্লেখ্য, বর্ষা মৌসুমে নেপাল সাধারণত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জলবিদ্যুৎ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে থাকে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা কাটিয়ে তারা এখন ধীরে ধীরে উৎপাদন ও রপ্তানি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। একসময় শীতের মৌসুমে কেবল আমদানির ওপর নির্ভরশীল থাকা দেশটি বর্তমানে নিজেদের একটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে নানামুখী উদ্যোগ...
অর্থনীতি ডেস্ক: প্রায় দুই মাস বিরতির পর হিমালয়ের দেশ নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হয়েছে। নির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী দেশটি থেকে আবার বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হওয়ায় দেশের জ্বালানি খাতে স্বস্তি ফিরেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন শুরু হওয়ার পর থেকেই তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড পিএলসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুনরায় সরবরাহ চালুর পর বর্তমানে নিয়মিতভাবে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। গত বছরের মাঝামা সময় থেকে দুই দেশের মধ্যকার চুক্তি অনুযায়ী এই বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়েছিল।
এর আগে গত আগস্ট মাসের শেষের দিকে নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে দেশটির একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশমুখী সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে পড়েছিল। ভারতের গ্রিড ও সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে এই বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসায়, নেপালের অভ্যন্তরে উৎপাদন বিঘ্নিত হওয়ায় সরাসরি এর প্রভাব পড়েছিল।
উল্লেখ্য, বর্ষা মৌসুমে নেপাল সাধারণত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জলবিদ্যুৎ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে থাকে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা কাটিয়ে তারা এখন ধীরে ধীরে উৎপাদন ও রপ্তানি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। একসময় শীতের মৌসুমে কেবল আমদানির ওপর নির্ভরশীল থাকা দেশটি বর্তমানে নিজেদের একটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।