ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

নাগরপুরে প্রায় ২০ ঘন্টাই লোডশেডিং

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে প্রায় ১৫ থেকে ২০ ঘন্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় জনজীবনে ভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে। এদিকে রমজানের শেষ পর্যায়ে সেহরি ও ইফতার সময়েও বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়ায় স্থানীয় জনতা ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে। এতে লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণ হিসেবে টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন নাগরপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ মেশবাহুল হকে’র অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করছে জনসাধারণ। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে নাগরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপর তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণার প্রকাশ করছে স্থানীয় নেটিজনরা।
গয়হাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা কাঠ ব্যবসায়ী সানি ইসলাম বলেন, দিনে-রাতে মিলিয়ে ১৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সেচের পাম্প ঠিকমতো চালানো যাচ্ছে না। মামুদনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. স্বপন মিয়া জানায়, আমাদের কোলকুষ্টিয়া গ্রামে ২০ থেকে ২১ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে। নাগরপুর সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা নাইম হাসান জানায়, সদর এলাকায় ১২ ঘন্টাই লোডশেডিং হচ্ছে।
ধুবড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. শাহজাদা হোসেন জানায়, কৃষ্ণদিয়ারকোল এলাকায় ২১ থেকে ২২ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ মিলছে না। বেকড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মানব তরফদার জানায়, বড়টিয়া গ্রামে ১৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। সহবতপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আহাম্মেদ শাকিব জানায়, ইরতা এলাকায় ১৬ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে। ভারড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন জানায়, আটাপাড়া ও আগদিঘুলিয়া সহ আশেপাশের গ্রামে ঠিকমতো ১ ঘন্টাও বিদ্যুৎ সরবরাহ মিলছে না।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নাগরপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ মেশবাহুল হক বলেন, বর্তমানে সারাদেশে এভাবেই লোডশেডিং চলছে। নাগরপুর উপজেলা ব্যতিক্রম নয়। বিদ্যুৎ চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম ফলে অতিরিক্ত লোডশেডিং হচ্ছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহ জেলায় বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকার কারণে টাঙ্গাইল জেলার বিদ্যুৎ দিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। আশাকরি বৃষ্টি হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ অবস্থা স্বাভাবিক হবে।

প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরের বিনামূল্ এক হাজার লিটারের ৭৭ টি পানির ট্যাংক ও সেটিং উপকরণ বিতরণ

error: Content is protected !!

নাগরপুরে প্রায় ২০ ঘন্টাই লোডশেডিং

আপডেট টাইম : ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ এপ্রিল ২০২৪
সোলায়মান, নাগরপুর উপজেলা (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে প্রায় ১৫ থেকে ২০ ঘন্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় জনজীবনে ভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে। এদিকে রমজানের শেষ পর্যায়ে সেহরি ও ইফতার সময়েও বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়ায় স্থানীয় জনতা ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে। এতে লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণ হিসেবে টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন নাগরপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ মেশবাহুল হকে’র অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করছে জনসাধারণ। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে নাগরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপর তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণার প্রকাশ করছে স্থানীয় নেটিজনরা।
গয়হাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা কাঠ ব্যবসায়ী সানি ইসলাম বলেন, দিনে-রাতে মিলিয়ে ১৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সেচের পাম্প ঠিকমতো চালানো যাচ্ছে না। মামুদনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. স্বপন মিয়া জানায়, আমাদের কোলকুষ্টিয়া গ্রামে ২০ থেকে ২১ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে। নাগরপুর সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা নাইম হাসান জানায়, সদর এলাকায় ১২ ঘন্টাই লোডশেডিং হচ্ছে।
ধুবড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. শাহজাদা হোসেন জানায়, কৃষ্ণদিয়ারকোল এলাকায় ২১ থেকে ২২ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ মিলছে না। বেকড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মানব তরফদার জানায়, বড়টিয়া গ্রামে ১৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। সহবতপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আহাম্মেদ শাকিব জানায়, ইরতা এলাকায় ১৬ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে। ভারড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন জানায়, আটাপাড়া ও আগদিঘুলিয়া সহ আশেপাশের গ্রামে ঠিকমতো ১ ঘন্টাও বিদ্যুৎ সরবরাহ মিলছে না।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নাগরপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ মেশবাহুল হক বলেন, বর্তমানে সারাদেশে এভাবেই লোডশেডিং চলছে। নাগরপুর উপজেলা ব্যতিক্রম নয়। বিদ্যুৎ চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম ফলে অতিরিক্ত লোডশেডিং হচ্ছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহ জেলায় বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকার কারণে টাঙ্গাইল জেলার বিদ্যুৎ দিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। আশাকরি বৃষ্টি হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ অবস্থা স্বাভাবিক হবে।

প্রিন্ট